তুরস্কে ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানের দশম বার্ষিকী পালিত
২০১৬ সালের ১৫ জুলাই তুরস্কে সংঘটিত ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানের দশম বার্ষিকী পালিত হচ্ছে। সেদিন ফেতুল্লাহিস্ট টেররিস্ট অর্গানাইজেশনের (FETO) চক্রান্ত প্রতিহত করতে গিয়ে ২৫৩ জন মানুষ শহীদ হয়েছিলেন।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

তুরস্কে ২০১৬ সালের ১৫ জুলাই সংঘটিত ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানের দশম বার্ষিকী পালিত হচ্ছে। দিনটি স্মরণ করে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। তৎকালীন সময়ে সংঘটিত এই ঘটনাটি দেশটির আধুনিক রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি বড় মোড় পরিবর্তনকারী অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে।
২০১৬ সালের ১৫ জুলাই রাতে তুরস্কে একটি সেনা অভ্যুত্থান প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল। এই পুরো চক্রান্তটি পরিচালনা করেছিল ফেতুল্লাহিস্ট টেররিস্ট অর্গানাইজেশন (FETO)। তাদের এই গোপন ষড়যন্ত্র দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ধ্বংস করার লক্ষ্যেই পরিচালিত হয়েছিল বলে জানা যায়।
দেশের অখণ্ডতা রক্ষা এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সুরক্ষায় সেদিন সাধারণ জনগণ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা রাজপথে নেমে আসেন। তাদের সাহসিকতা ও প্রতিরোধের মুখেই মূলত অভ্যুত্থানকারীরা তাদের চক্রান্ত বাস্তবায়ন করতে ব্যর্থ হয় এবং পরিস্থিতি সরকারের নিয়ন্ত্রণে আসে।
তবে এই অভ্যুত্থান প্রচেষ্টা প্রতিহত করার সময় দেশের জন্য বড় ধরনের মূল্য দিতে হয়েছে। সেদিন রাতে ফেতুল্লাহিস্ট টেররিস্ট অর্গানাইজেশনের (FETO) চক্রান্তের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে গিয়ে মোট ২৫৩ জন মানুষ শাহাদাত বরণ করেন। তাদের এই আত্মত্যাগ জাতি সবসময় কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করে।
এই অভ্যুত্থান চেষ্টার সময় দেশের গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো সরাসরি আক্রমণের শিকার হয়েছিল। এর মধ্যে গ্র্যান্ড ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি অব Türkiye এবং প্রেসিডেন্সিয়াল কমপ্লেক্সের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছিল।
দশ বছর পর আজ ২০২৬ সালের ১৬ জুলাই এসেও সেই রাতের ভয়াবহতা ও শহীদদের অবদান গভীরভাবে স্মরণ করা হচ্ছে। দেশের গণতন্ত্র রক্ষায় সেদিন যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁদের আত্মত্যাগের কথা নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে স্মরণ করা হচ্ছে।








