তীব্র গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটে ব্যাহত শিল্প উৎপাদন
দেশজুড়ে তীব্র গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে চরম বিপর্যয় দেখা দিয়েছে শিল্প উৎপাদন ও জনজীবনে। এলএনজি সরবরাহ বিপর্যয় এবং বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ থাকায় বহু কারখানা উৎপাদন বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

বর্তমান গ্যাস-সংকটের কারণে দেশের অধিকাংশ ভারী শিল্পের উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। এলএনজি সরবরাহে বিপর্যয়ের কারণে এই গ্যাস সংকট তৈরি হয়েছে। এর ফলে দেশব্যাপী তীব্র গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট এবং এর ফলে শিল্প উৎপাদন ও জনজীবনে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে।
পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, দৈনিক প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের ঘাটতি তৈরি হইয়াছে। জ্বালানি সংকট ও রক্ষণাবেক্ষণের কারণে দেশের বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ থাকায় তীব্র লোডশেডিং হচ্ছে। বর্তমানে দেশের অন্তত ৪১ হইতে ৬২টি বিদ্যুৎকেন্দ্র সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে বন্ধ রয়েছে।
বিদ্যুৎ ও গ্যাসের এই ঘাটতির সরাসরি প্রভাব পড়েছে শিল্প খাতে। ঢাকা, গাজীপুর ও হবিগঞ্জসহ বিভিন্ন অঞ্চলে বড় বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও কারখানা বন্ধ রয়েছে। এর মধ্যে মেঘনা গ্রুপের ৫৭টি শিল্প ইউনিট বন্ধ হইয়াছে। এছাড়া গাজীপুরে ৫২৫টি এবং হবিগঞ্জে ১৭১টি কারখানায় উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। কেবল হবিগঞ্জের ১৭১টি কারখানায় দেড় লক্ষাধিক শ্রমিক কাজ করিতেন। টি কে গ্রুপ, আরএফএল গ্রুপ এবং আলেয়া সুলতানা স্মৃতি পাঠাগার সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতেও এই সংকটের প্রভাব পড়েছে।
শুধু শিল্প খাত নয়, সাধারণ জনজীবনও বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ফরিদপুর, রাজবাড়ীসহ অনেক জেলায় দিন-রাত মিলিয়ে ১৫ হইতে ১৬ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না। গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি ব্যবসায়ীরাও চরম উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন। পরিস্থিতি উত্তরণে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি সংশ্লিষ্ট মহলের।








