তিব্বত ও নেপালে পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসে নিহত প্রায় ৭০০
তিব্বত ও নেপাল সীমান্তে পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসে প্রায় সাতশ মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। গত বুধবার থেকে শনিবার পর্যন্ত চলা এই দুর্যোগে নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় তিন হাজার মানুষ।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

তিব্বত ও নেপাল সীমান্ত অঞ্চলে আঘাত হেনেছে মারাত্মক প্রাকৃতিক দুর্যোগ। হিমবাহের অংশ ধসে পড়ার ফলে সেখানে ভয়াবহ পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। গত বুধবার থেকে শনিবার পর্যন্ত এই দুর্যোগ অব্যাহত ছিল, যার ফলে সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোতে ব্যাপক প্রাণহানি ও নিখোঁজের ঘটনা ঘটে।
সিসিটিভি এবং নেপালের পর্যটন বোর্ডের তথ্যানুযায়ী, এই পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসের ফলে তিব্বত ও নেপালে সামগ্রিকভাবে মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় সাতশ জনে দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি, উভয় অঞ্চলে নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় তিন হাজার মানুষ। আকস্মিক এই বিপর্যয়ে সীমান্ত এলাকার জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে এবং উদ্ধারকাজ চালাতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে সংশ্লিষ্টদের।
দুর্যোগকবলিত তিব্বত অঞ্চলে হতাহতের বড় একটি চিত্র উঠে এসেছে। সেখানে পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তবে শঙ্কার বিষয় হলো, তিব্বতে এখনও ৫৪৬ জন মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন, যাদের মধ্যে ২৬১ জন বিদেশি নাগরিকও অন্তর্ভুক্ত।
অন্যদিকে, নেপালে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের মাত্রা আরও অনেক বেশি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। নেপাল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসে অন্তত ৬৭৫ জন নিহত হয়েছেন।
প্রাণহানির পাশাপাশি নেপালে নিখোঁজের সংখ্যাও দুই হাজার চারশো জনের বেশি ছাড়িয়ে গেছে। এর মধ্যে ৩২০ জন বিদেশি নাগরিকও নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এর বিপরীতে কিছুটা স্বস্তির খবরও রয়েছে, কারণ এখন পর্যন্ত নেপালে ২৬১ জন বিদেশি নাগরিককে সফলভাবে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
গত বুধবার থেকে শনিবার পর্যন্ত ঘটে যাওয়া এই ভয়াবহ পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসের ঘটনার পর তিব্বত ও নেপাল সীমান্তে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। তবে নিখোঁজ ব্যক্তিদের সংখ্যা এত বেশি হওয়ায় এবং দুর্গম সীমান্ত এলাকা হওয়ায় উদ্ধারকর্মীদের কাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।








