ঢামেক অধ্যাপককে মারধর ও চাঁদা দাবি: ফারহান শাহরিয়ারের রিমান্ড মঞ্জুর
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যাপক মো. আসাদুর রহমানকে মারধর ও চাঁদা দাবির মামলায় ফারহান শাহরিয়ার ওরফে ইভানের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। শনিবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মঞ্জুরুল ইসলামের আদালত শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। গত ১৮ আগস্ট পল্টন থানায় এই মামলা দায়ের করা হয়েছিল।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যাপক মো. আসাদুর রহমানকে মারধর, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও চাঁদা দাবির অভিযোগে করা মামলায় গ্রেপ্তার ফারহান শাহরিয়ার ওরফে ইভানের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে। ২২ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই চাঞ্চল্যকর মামলায় আদালত আসামি ফারহান শাহরিয়ারের রিমান্ডের আদেশ দেন।
শনিবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মঞ্জুরুল ইসলামের আদালতে এই মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে আদালত অভিযুক্ত ফারহান শাহরিয়ার ওরফে ইভানের বিরুদ্ধে পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করার এই আদেশ দেন। এর আগে মামলার তদন্তের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ আসামির ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়েছিল।
ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, গত ১৮ আগস্ট অধ্যাপক মো. আসাদুর রহমান বাদী হয়ে রাজধানীর পল্টন থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় মারধর, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও চাঁদা দাবির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে। ভুক্তভোগী অধ্যাপক মো. আসাদুর রহমানের বয়স ৫৭ বছর এবং তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
মামলার এজাহারে উল্লেখিত তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অধ্যাপক মো. আসাদুর রহমানের কাছে ১৫ হাজার ডলার চাঁদা দাবি করেছিলেন। চাঁদা না পেয়ে তাকে মারধর ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। এই ঘটনার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে চিকিৎসক সমাজ ও সাধারণ মহলে আলোচনা শুরু হয়।
পল্টন মডেল থানা পুলিশ এই মামলাটি তদন্ত করছে। মামলার তদন্তের ধারাবাহিকতায় ফারহান শাহরিয়ার ওরফে ইভানকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং পরবর্তীতে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আসামির পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন, যা মামলার তদন্তকাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই রিমান্ড শুনানির সময় মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা করা হয়। পল্টন থানায় দায়ের করা এই মামলার পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া এবং তদন্তের অগ্রগতি জানার জন্য পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট আদালতের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এই ঘটনায় জড়িত অন্যান্য আইANALYSIS ও আইনগত দিকগুলোও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।








