মূল কনটেন্টে যান
ব্রেকিং
BDRevise24 — Trusted & Targeted News

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — HEADER

ঢাবিতে সোশ্যাল মিডিয়া ট্রেন্ড ও এফওএমও নিয়ে গবেষণা প্রকাশ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ট্রেন্ড এবং এফওএমও বা পিছিয়ে পড়ার ভয় নিয়ে একটি গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে। ঢাকার কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫০০ জন শিক্ষার্থীর ওপর এই গবেষণা চালানো হয়।

বিডিরিভাইস২৪ ডেস্ক

প্রকাশ: · আপডেট: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ৬:১৬· মিনিট পড়া

ঢাবিতে সোশ্যাল মিডিয়া ট্রেন্ড ও এফওএমও নিয়ে গবেষণা প্রকাশ
ছবি: জাগো নিউজ

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — ARTICLE_TOP

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ট্রেন্ড এবং 'এফওএমও' বা 'পিছিয়ে পড়ার ভয়' নিয়ে নতুন একটি গবেষণা প্রকাশ করা হয়েছে। ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ঢাকায় এই গবেষণার তথ্য সামনে আসে। বর্তমান ডিজিটাল যুগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন ট্রেন্ড কীভাবে তরুণ প্রজন্মকে প্রভাবিত করছে, তা নিয়ে এই গবেষণাটি পরিচালিত হয়।

গবেষণার অংশ হিসেবে ঢাকার কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর জরিপ চালানো হয়। ২০২৬ সালে পরিচালিত এই গবেষণার আওতায় মোট ৫০০ জন শিক্ষার্থীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। মূলত বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া তরুণদের মানসিক অবস্থার ওপর সামাজিক মাধ্যমের প্রভাব মূল্যায়ন করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।

প্রকাশিত তথ্যে দেখা গেছে, অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ এই মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। গবেষণার ফলাফল অনুযায়ী, মোট ৬৫.৬ শতাংশ শিক্ষার্থী কোনো না কোনোভাবে 'এফওএমও' বা 'পিছিয়ে পড়ার ভয়'-এর শিকার। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যরা কী করছে বা কী ধরনের ট্রেন্ড চলছে, তা নিয়ে সবসময় আপডেট থাকার মানসিক চাপ থেকেই মূলত এই অবস্থার সৃষ্টি হয়।

গবেষণার বিস্তারিত পরিসংখ্যানে এফওএমও-এর মাত্রা সম্পর্কে আরও সুনির্দিষ্ট তথ্য উঠে এসেছে। এর মধ্যে ৫৬.৮ শতাংশ শিক্ষার্থী মাঝারি মাত্রার এফওএমও বা পিছিয়ে পড়ার ভয়ে ভুগছেন বলে জানা গেছে। এই মাঝারি মাত্রার ভীতি শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন মনোযোগ ও কার্যক্রমে কিছুটা প্রভাব ফেলে।

অন্যদিকে, গবেষক দল এই মানসিক সমস্যার আরও গুরুতর একটি রূপও চিহ্নিত করেছেন। গবেষণার উপাত্ত অনুযায়ী, প্রায় ৮.৮ শতাংশ শিক্ষার্থী উচ্চ মাত্রার এফওএমও বা তীব্র পিছিয়ে পড়ার ভয়ে আক্রান্ত। এই উচ্চ মাত্রার আক্রান্তদের ক্ষেত্রে সামাজিক মাধ্যমের ট্রেন্ড না ধরতে পারার মানসিক যন্ত্রণা অনেক বেশি থাকে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের গবেষণা বর্তমান সময়ের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অতিরিক্ত ব্যবহার এবং এর ফলে সৃষ্ট মানসিক চাপ মোকাবেলায় এ ধরনের তথ্য নীত নির্ধারণী পর্যায়ে কাজে লাগতে পারে।

সব মিলিয়ে, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ঢাকায় প্রকাশিত এই গবেষণাটি আধুনিক প্রযুক্তির যুগে তরুণদের মানসিক সুস্থতার ওপর এক নতুন বার্তা নিয়ে এসেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে এই ভীতি দূর করতে সচেতনতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন বলে মনে সংশ্লিষ্টরা করছেন।

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — IN_ARTICLE

খবরটি পড়ে আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

সব দেখুন
শুরু হলো বাংলাদেশ গার্লস প্রোগ্রামিং কনটেস্ট ২০২৬ব্রেকিং
প্রযুক্তি

শুরু হলো বাংলাদেশ গার্লস প্রোগ্রামিং কনটেস্ট ২০২৬

দেশে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে বাংলাদেশ গার্লস প্রোগ্রামিং কনটেস্ট ২০২৬ (বিডিজিপিসি)। স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।

১ মিনিট পড়া
অস্ট্রেলিয়ায় জনবহুল সুইমিং পুলে নিষিদ্ধ হলো স্মার্ট চশমা
প্রযুক্তি

অস্ট্রেলিয়ায় জনবহুল সুইমিং পুলে নিষিদ্ধ হলো স্মার্ট চশমা

গোপনীয়তা ও নিরাপত্তার আশങ്കায় অস্ট্রেলিয়ার একাধিক কাউন্সিলে পাবলিক সুইমিং পুল ও বিনোদন কেন্দ্রে এআই স্মার্ট চশমার ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। চ্যাট গ্রুপ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নারীদের উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধকতাসহ যাতায়াতের সুবিধার্থে বিশেষ প্রয়োজন রয়েছে এমন ব্যক্তিদের এই নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে রাখা হয়েছে।

১ মিনিট পড়া
ডিজিটাল ওয়ালেটে মোবাইল ড্রাইভার্স লাইসেন্স ও গোপনীয়তা বিতর্ক
প্রযুক্তি

ডিজিটাল ওয়ালেটে মোবাইল ড্রাইভার্স লাইসেন্স ও গোপনীয়তা বিতর্ক

ডিজিটাল ওয়ালেটে মোবাইল ড্রাইভার্স লাইসেন্স বা এমডিএল যুক্ত করার প্রক্রিয়া এবং ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা নিয়ে নানা তথ্য সামনে এসেছে। অ্যাপল ও গুগল ডাটা এনক্রিপ্ট করার পাশাপাশি বায়োমেট্রিক বা স্ক্রিন লক বাধ্যতামূলক করেছে। তবে এ বিষয়ে গোপনীয়তার বিতর্কও রয়েছে।

১ মিনিট পড়া
আগামী ২২ সেপ্টেম্বর স্পেসএক্সের স্টারশিপের ১৪তম পরীক্ষা
প্রযুক্তি

আগামী ২২ সেপ্টেম্বর স্পেসএক্সের স্টারশিপের ১৪তম পরীক্ষা

টেক্সাসে আগামী ২২ সেপ্টেম্বর স্পেসএক্সের মেগা-রকেট স্টারশিপের ১৪তম টেস্ট ফ্লাইট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই পরীক্ষামূলক ফ্লাইটে তৃতীয় প্রজন্মের স্টারলিংকের প্রথম ব্যাচ মহাকাশে উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির।

১ মিনিট পড়া

বিজ্ঞাপন

আপনার বিজ্ঞাপন এখানে — FOOTER