ঢাবি অধ্যাপক তাশরিক-ই-হাবিবের সাময়িক বরখাস্ত কেন অবৈধ নয়, হাইকোর্টের রুল
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে সাময়িক বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে এই রুলের জবাব দিতে হবে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে সাময়িক বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়ে উচ্চ আদালত একটি গুরুত্বপূর্ণ রুল জারি করেছেন। ২০২৬ সালের ২০ আগস্ট তারিখে এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়। দেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত উচ্চ আদালতের এই বেঞ্চ বরখাস্তের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
আদালতের এই বেঞ্চের নেতৃত্বে ছিলেন বিচারপতি রাজিক-আল-জলিল এবং বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরী। এই দুই বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে সাময়িক বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত কেন বেআইনি ও অবৈধ ঘোষণা করা হবে না—তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন।
আদালতের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে আদালতের এই নির্দেশ প্রতিপালন করতে হবে।
এর আগে গত ২৪ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একটি চিঠি জারি করেছিল। সেই চিঠিতে জানানো হয় যে, অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে তাঁর চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সিন্ডিকেটের ২২ জুনের সভার সিদ্ধান্তের তারিখ থেকেই এই বরখাস্তের আদেশ কার্যকর হবে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।
অধ্যাপক তাশরিক-ই-হাবিবকে বরখাস্ত করার পেছনে বেশ কিছু কারণ উল্লেখ করা হয়েছিল। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তাঁর সাম্প্রতিক কিছু কার্যক্রম, আর্থিক দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এবং তাঁর সঙ্গে কাজ করতে সব একাডেমিক কমিটির সদস্যদের অস্বীকৃতির প্রেক্ষাপটে এই সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
হাইকোর্টের এই শুনানিতে সংশ্লিষ্ট আইনজীবী ও আইন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আদালতে রিট petitioners-এর পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন আইনজীবী নিগার সুলতানা। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষের প্রতিনিধিত্ব করেন ডেপুটি Attorney General মো. জসিদুল ইসলাম জনি এবং শিহাব উদ্দিন খান।








