ঢাকায় শুরু হলো কসমেটিকা ঢাকা ২০২৬ আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী
রাজধানীর বসুন্ধরায় আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটির নবরাত্রি হলে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী 'কসমেটিকা ঢাকা ২০২৬'। ১৬টি দেশের ৫৮টি কোম্পানি ও ১৩২টি ব্র্যান্ড এই আয়োজনে অংশ নিয়েছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ৭:৪৭· ১ মিনিট পড়া

রাজধানীর আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরার (আইসিসিবি) নবরাত্রি হলে শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী 'কসমেটিকা ঢাকা ২০২৬'। এটি এই আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীর দ্বিতীয় আসর। গত ৩ থেকে ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই তিন দিনব্যাপী প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন দেশের প্রসাধন ও রূপচর্চা খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোকে এক প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসার লক্ষ্যেই মূলত এই আয়োজন করা হয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে বাংলাদেশসহ মোট ১৬টি দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। প্রদর্শনীতে বিভিন্ন দেশের মোট ৫৮টি কোম্পানি অংশগ্রহণ করেছে। আন্তর্জাতিক এই মেলায় অংশ নেওয়া কোম্পানিগুলোর অধীনে মোট ১৩২টি ব্র্যান্ড তাদের পণ্য ও সেবা প্রদর্শন করে। বৈচিত্র্যময় এই সমাহার দর্শনার্থী ও ব্যবসায়ীদের জন্য আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে।
মেলায় অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশ, কোরিয়া, থাইল্যান্ড, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, সিঙ্গাপুর, চীন, জাপান ও হংকং। বিভিন্ন দেশের এই বিপুলসংখ্যক প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ প্রদর্শনীটিকে একটি বৈশ্বিক রূপ দিয়েছে। বিদেশি ব্র্যান্ডগুলোর পাশাপাশি দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোও তাদের কার্যক্রম ও পণ্য প্রদর্শন করেছে।
প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়া উল্লেখযোগ্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, ব্র্যান্ড ও সহযোগী সংগঠনের মধ্যে রয়েছে রিমার্ক হারল্যান গ্রুপ, স্কিনও, ইএমএআই, ক্যাটি ডল, কে-মার্ট বাংলাদেশ, ড্রিমক্যাশ, কামিহাউস, স্কিনঅক্সি, গ্যাটসবি, আইএই কসমেটিকস, হারল্যান, অসাম, ফগ, রিয়েল ম্যান, অর্গানিকাও, কেম কানেক্ট বিডি, ডিভাইন পিএইচসি, আইএমসিডি, ইনঞ্জেনিয়াস রিসোর্সেস এবং শাশিরোম ফ্রেগ্রেন্সেস অ্যান্ড ফ্লেভারস।
এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন দেশের পরিচিত মুখ নাদিয়া ইসলাম, কেয়া পায়েল এবং শামা ওবায়েদ ইসলাম। তাদের উপস্থিতি এবং অংশগ্রহণ মেলা প্রাঙ্গণে ভিন্ন মাত্রা যোগ করে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের স্টল পরিদর্শন ছাড়াও তারা আয়োজক ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন।
তিন দিনব্যাপী এই আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে সৌন্দর্য এবং প্রসাধন খাতের সর্বশেষ ট্রেন্ড ও প্রযুক্তিগুলো তুলে ধরা হয়। ১৬টি দেশের ৫৮টি কোম্পানি ও ১৩২টি ব্র্যান্ডের এই সরব উপস্থিতি দেশের কসমেটিকস খাতের ব্যবসায়িক সম্ভাবনাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।








