ঢাকার নদ-নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও বর্জ্য অপসারণ নিয়ে সভা
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ সচিবালয়ে ঢাকার চারপাশের নদ-নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য অপসারণ ও বৃত্তাকার নৌপথের উন্নয়ন সংক্রান্ত পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, ধলেশ্বরী, বালু ও শীতলক্ষ্যা নদী এবং তৎসংলগ্ন খাল ও ড্রেনের দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও নাব্যতা নিশ্চিত করার বিষয়ে আলোচনা হয়।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ সচিবালয়ে ঢাকার চারপাশের নদ-নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য অপসারণ ও বৃত্তাকার নৌপথের উন্নয়ন সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে আয়োজিত এই সভায় রাজধানী ঢাকাকে ঘিরে থাকা নদীগুলোর বর্তমান অবস্থা এবং এর উত্তরণের উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
সভায় দেশের প্রধান নদীগুলোর মধ্যে বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, ধলেশ্বরী, বালু ও শীতলক্ষ্যা নদী এবং তৎসংলগ্ন খাল ও ড্রেনের দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও নাব্যতা নিশ্চিত করার বিষয়ে বিশেষ আলোচনা হয়। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা নদী দূষণের মাত্রা কমিয়ে কীভাবে এসব জলপথের স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনা সম্ভব, সে বিষয়ে নীতিনির্ধারণী আলোচনা অনুষ্ঠিত হয় এই বৈঠকে।
পরিবেশ রক্ষা ও দূষণ রোধে ব্যক্তিগত সচেতনতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, নিজেদের পাশাপাশি পরবর্তী প্রজন্মের জন্যও দূষণমুক্ত নদী ও একটি বাসযোগ্য পরিবেশ রেখে যাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। এ জন্য শুধু সরকারি নির্দেশনার অপেক্ষায় থাকলে হবে না; ব্যক্তিগত দায়িত্ববোধ থেকেও সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করতে হবে।
বাংলাদেশ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এই উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা সভায় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিনিধি, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিনিধি, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিনিধি, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিনিধি এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
এছাড়াও সভায় বাংলাদেশ নৌবাহিনী, ঢাকা সিটি করপোরেশন, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে অংশগ্রহণকারী বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে ড. আবদুল মঈন খান, আবদুল আউয়াল মিন্টু, খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, শেখ রবিউল আলম, মীর শাহে আলম, জোনায়েদ সাকি, রাজিব আহসান, শেখ ফরিদুল ইসলাম, ড. সাইমুম পারভেজ, এ বি এম আব্দুস সাত্তার এবং আবদুল্লাহ-আল-মাকসুস উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকার চারপাশের নদীগুলোকে দূষণমুক্ত করা এবং বর্জ্য অপসারণের মাধ্যমে বৃত্তাকার নৌপথের উন্নয়ন সাধনের এই উদ্যোগে সরকারের সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগকে সমন্বিতভাবে কাজ করার তাগিদ দেওয়া হয়। সভায় উপস্থিত সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা নিজ নিজ খাতের করণীয় সম্পর্কে মতামত তুলে ধরেন এবং নদী রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর জোর দেন।








