জম্মু-কাশ্মীরে মার্কিন বিশেষ দূত সার্জিও গর ও ওমর আবদুল্লাহর বৈঠক
অনুচ্ছেদ ৩৭০ বাতিলের পর প্রথম কোনো শীর্ষ মার্কিন কূটনীতিক হিসেবে জম্মু-কাশ্মীর সফর করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গর। এ সময় তিনি জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহর সঙ্গে বৈঠক করেন।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

অনুচ্ছেদ ৩৭০ বাতিলের পর এটি কোনো শীর্ষ মার্কিন কূটনীতিকের প্রথম জম্মু-কাশ্মীর সফর। ঐতিহাসিক এই সফরে জম্মু-কাশ্মীরে এসে পৌঁছেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গর। এই সফরকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে।
সফরকালে মার্কিন বিশেষ দূত সার্জিও গর জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহর সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হন। এনডিটিভি ও ইত্তেফাক সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। বৈঠকে দুই নেতার মধ্যে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
জম্মু-কাশ্মীরে পৌঁছে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে মার্কিন বিশেষ দূত সার্জিও গর বলেছেন, "আমি প্রথমবারের মতো এই জায়গায় সফর করছি। এটি অসাধারণ সুন্দর একটি স্থান।" তার এই মন্তব্য অঞ্চলটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের প্রতি তার মুগ্ধতার প্রকাশ বলে মনে করা হচ্ছে।
বৈঠক শেষে সন্তোষ প্রকাশ করে সার্জিও গর আরও বলেন, "আমাদের মধ্যে অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ বৈঠক হয়েছে। আমরা আমাদের সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য উন্মুখ।" এই বক্তব্যের মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ এই বৈঠক নিয়ে নিজের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। তিনি জানান, "জম্মু-কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে মার্কিন-ভারত সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করার সুযোগ পেয়েছি।" এই আলোচনার মধ্য দিয়ে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নানা দিক উঠে এসেছে।
বৈঠকটিকে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ আরও বলেন, "আমাদের একটি অত্যন্ত ফলপ্রসূ বৈঠক হয়েছে। আমরা দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করেছি। তবে বিশেষ করে জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র কী করতে পারে, সেদিকেই আমাদের দৃষ্টি ছিল।"
সব মিলিয়ে সার্জিও গরের এই জম্মু-কাশ্মীর সফর এবং মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহর সঙ্গে তার এই বৈঠক যুক্তরাষ্ট্র, ভারত এবং জম্মু-কাশ্মীরের মধ্যকার সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই বৈঠকের ফলে ভবিষ্যতে পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।








