চাঁদপুরে মাদক ও চাঁদাবাজের ঠাঁই হবে না: এমপি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক
চাঁদপুরে মাদক, ইভটিজিং ও চাঁদাবাজের কোনো স্থান হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক। ১ সেপ্টেম্বর বিকেলে জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এই কথা বলেন।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

০৭:৫৪ পিএম, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে জাগো নিউজ এ সংবাদটি প্রকাশিত হয়। ১ সেপ্টেম্বর বিকেলে চাঁদপুর জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে একটি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এই সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রবাসী কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক।
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা দেন যে, চাঁদপুরে কোনো মাদক, ইভটিজিং ও চাঁদাবাজের ঠাঁই হবে না। তাঁর এই কঠোর অবস্থান স্থানীয় জনগণের মাঝে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে এবং অপরাধমূলক কার্যক্রমের বিরুদ্ধে এটি একটি শক্ত বার্তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও নানা অপপ্রচারের বিষয়ে নেতাকর্মীদের সতর্ক করে শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক বলেন, একটি মহল সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে। সব অপশক্তিকে আমরা একসঙ্গে রুখে দেবো। তবে তিনি এ সময় অত্যন্ত দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন না এবং যেকোনো সমস্যায় প্রশাসনের সহযোগিতা নেবেন।
জনকল্যাণমূলক ও পরিবেশ রক্ষার্থে সমাবেশে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সময়সীমাভিত্তিক সিদ্ধান্ত ও কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে অন্যতম হলো, আগামী ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বিভিন্ন পুকুর ও জলাশয় পরিষ্কার করে সেখানে মাছ অবমুক্ত করা হবে। এছাড়া পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য আগামী ৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সদর ও হাইমচরে মোট চার হাজার গাছ রোপণ করা হবে।
স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন প্রসঙ্গে সমাবেশে জানানো হয় যে, চাঁদপুরবাসীর চিকিৎসাসেবা আরও উন্নত করতে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালটিকে ৫০০ শয্যায় উন্নীত করার প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে। এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে জেলার সাধারণ মানুষ আরও উন্নত ও আধুনিক চিকিৎসা সেবা লাভ করতে সক্ষম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
উক্ত সমাবেশে জেলা বিএনপি, চাঁদপুর পৌর বিএনপি, সদর উপজেলা বিএনপি, জেলা যুবদল এবং সদর উপজেলা ওলামা দলসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশে অংশগ্রহণকারী উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গের মধ্যে ছিলেন আক্তার হোসেন মাঝি, শাহজালাল মিশন, সলিম উল্যা সেলিম, জসিম উদ্দিন খান বাবুল, হযরত আলী ঢালী, মানিকুর রহমান মানিক, নুরুল আমিন খান আকাশ এবং ইসমাইল হোসেন।








