চট্টগ্রামের ফিশারিঘাটে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ইলিশের ডিম
চট্টগ্রামের ফিশারিঘাট পুরোনো মাছবাজারে ইলিশের পেট থেকে অক্ষত অবস্থায় ডিম বের করে বাছাই ও প্যাকেটজাত করা হচ্ছে। আকার ও মানভেদে এসব ডিম প্রতি কেজি তিন থেকে চার হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে এবং বরফ দিয়ে বাক্সে ভরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাঠানো হচ্ছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

চট্টগ্রামের ফিশারিঘাট পুরোনো মাছবাজারে একটি ব্যতিক্রমী ও লাভজনক বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। দেশের অন্যতম প্রধান এই মৎস্যকেন্দ্রে মূলত ইলিশ মাছের পেট থেকে অক্ষত অবস্থায় ডিম সংগ্রহ করা হয়। সংগৃহীত এই ডিমগুলো অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে আলাদা করে প্রক্রিয়াজাতকরণের কাজ চালানো হয় এই মাছবাজারে।
সংগ্রহের পর ডিমগুলোকে নিপুণভাবে বাছাই ও প্যাকেটজাত করার কাজ করা হয়। ইলিশের পেট থেকে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ডিম বের করার পর তা মানসম্মত উপায়ে আলাদা করা হয়, যাতে ডিমগুলোর গুণগত মান ও আকৃতি নষ্ট না হয়। ফিশারিঘাটের অভিজ্ঞ শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা এই পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করে থাকেন।
বর্তমানে বাজারে ইলিশের এই ডিমের চাহিদা বেশ ভালো রয়েছে। আকার ও মানভেদে ইলিশের ডিম প্রতি কেজি ৩ থেকে ৪ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। উচ্চমূল্যের এই সুস্বাদু খাদ্যপণ্যটি কেনার জন্য পাইকারি ও খুচরা ক্রেতাদের মধ্যে আগ্রহ লক্ষ করা যায়।
বাছাই ও প্যাকেটজাতকরণের পর এই ডিমগুলো দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। বিশেষ প্রক্রিয়ায় বরফ দিয়ে বাক্সে ভরে এসব ডিম রাজধানী ঢাকাসহ দেশের নানা অঞ্চলে পাঠানো হয়, যাতে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিলেও ডিমের তাজগি ও মান ঠিক থাকে।
চট্টগ্রামের ফিশারিঘাট পুরোনো মাছবাজার থেকে এভাবে নিয়মিত ডিম সংগ্রহ ও দেশব্যাপী সরবরাহের মাধ্যমে স্থানীয় মৎস্য ব্যবসার একটি নতুন ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। ইলিশের পেট থেকে ডিম বের করে তা বাজারজাতকরণের এই পুরো প্রক্রিয়াটি এখন এই বাজারের একটি উল্লেখযোগ্য ব্যবসায়িক কার্যক্রমে পরিণত হয়েছে।








