চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশি কোম্পানির হাতে দেওয়ার উদ্যোগের সমালোচনা
চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশি কোম্পানির হাতে তুলে দেওয়ার উদ্যোগের কঠোর সমালোচনা করেছেন আলোচকরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এক সভায় বক্তারা জানান, এনসিটি একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠান এবং এখানে রাষ্ট্রের বিপুল বিনিয়োগ রয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশি কোম্পানির হাতে তুলে দেওয়ার উদ্যোগের তীব্র সমালোচনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজধানী ঢাকায় এই আলোচনা সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভায় দেশের অর্থনীতি ও বাণিজ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের কৌশলগত গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
সভায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের মোট আমদানি-রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশ চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে সম্পন্ন হয়। দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের এই বিশাল অংশ আবর্তিত হয় এই বন্দরের ওপর ভিত্তি করে। তাই জাতীয় অর্থনীতিতে বন্দরটির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিসীম।
আলোচনা সভায় বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল বা এনসিটি একটি অত্যন্ত লাভজনক প্রতিষ্ঠান। এই টার্মিনালটির কার্যকারিতা ও মুনাফা অর্জন ক্ষমতা দেশের বন্দর খাতের সক্ষমতার অন্যতম বড় উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।
বক্তারা জানান, এই লাভজনক নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালে (এনসিটি) রাষ্ট্রের বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ রয়েছে। দেশের জনগণের অর্থে ও রাষ্ট্রীয় তহবিলে গড়ে ওঠা এই গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তারা।
সভায় অর্থনীতিবিদ ও শিক্ষাবিদদের মধ্যে আনু মুহাম্মদ এবং মোশাহিদা সুলতানা উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন। তারা চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবস্থাপনার নানা দিক ও এর ওপর অর্পিত রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব নিয়ে আলোকপাত করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই সভায় দেশের বিশিষ্ট নাগরিক ও গবেষকরা অংশ নেন। তারা সরকারের এই ধরনের নীতির দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে সতর্ক করেন এবং জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষার ওপর জোর দেন।
সবশেষে, চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালসহ বন্দরের মূল অবকাঠামোগুলো দেশীয় ব্যবস্থাপনায় লাভজনকভাবে পরিচালনার দাবি জানানো হয়। রাষ্ট্রের বিপুল বিনিয়োগযুক্ত এই সংবেদনশীল খাত রক্ষায় নীতিনির্ধারকদের পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান বক্তারা।








