চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ৩ কোটি টাকার কাপড়ভর্তি কনটেইনার গায়েব
চট্টগ্রাম বন্দরের অভ্যন্তর থেকে সাভারের কালিয়াকৈরের গোল্ড স্টার গার্মেন্টস লিমিটেডের ৬৬৮ বেল ফেব্রিক্সভর্তি একটি ৪০ ফুট এফসিএল কনটেইনার গায়েব হয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সিএন্ডএফ প্রতিষ্ঠান গত ২ সেপ্টেম্বর বন্দর চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

চট্টগ্রাম বন্দরের অভ্যন্তর থেকে প্রায় তিন কোটি টাকার কাপড়ভর্তি একটি কনটেইনার গায়েব হয়ে যাওয়ার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। গত ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে গণমাধ্যমে আসা তথ্যে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি প্রকাশ পায়। কনটেইনারটিতে শতভাগ রপ্তানিমুখী বিপুল পরিমাণ কাপড়ের রোল ছিল বলে জানা গেছে।
ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, গত ১৫ আগস্ট চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি-২ বার্থে কনটেইনার খালাস করে 'এমভি এমসিসি ডানাং' নামক জাহাজ। ওই জাহাজের মাধ্যমে সাভারের কালিয়াকৈরের গোল্ড স্টার গার্মেন্টস লিমিটেডের জন্য ৬৬৮ বেল ফেব্রিক্স আমদানি করা হয়েছিল, যা একটি ৪০ ফুট এফসিএল কনটেইনারে করে আনা হয়েছিল।
আমদানিকृत পণ্যের ছাড়করণের দায়িত্বে থাকা সিএন্ডএফ প্রতিষ্ঠান এস আর এস সিন্ডিকেট গত ২২ আগস্ট বিল অব এন্ট্রি দাখিল করে। পরবর্তী সময়ে যাবতীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে গত ৩০ আগস্ট বন্দরের সিসিটি ইয়ার্ড থেকে কনটেইনারটি খালাসের জন্য যান সিএন্ডএফ প্রতিনিধিরা। কিন্তু বন্দর কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত কনটেইনারটি ডেলিভারি দিতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়।
এই অনভিপ্রেত ঘটনার বিষয়ে সিএন্ডএফ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে মো. হাফিজুর রহমান বিস্তারিত তুলে ধরে জানান, 'আমরা কাস্টমস ও বন্দরের যাবতীয় চার্জ পরিশোধ করে কনটেইনার ডেলিভারির জন্য গেলে তা পাওয়া যায়নি। আজ এক সপ্তাহের বেশি হয়ে গেছে। কনটেইনারটিতে আসা কাপড়ের রোলগুলো শতভাগ রপ্তানিমুখী। এতে প্রায় তিন কোটি টাকার কাপড় ছিল। এখন নির্ধারিত সময়ে কাপড়গুলো না পেয়ে আমাদের গ্রাহক গোল্ড স্টার গার্মেন্টসও বিপাকে পড়েছে। তারা নির্ধারিত সময়ে রপ্তানি পণ্য বায়ারের কাছে পৌঁছাতে ব্যর্থ হবে।'
কনটেইনার গায়েব হওয়ার পর সিএন্ডএফ প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়। এর অংশ হিসেবে গত ২ সেপ্টেম্বর বন্দর চেয়ারম্যান বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়। এই ঘটনার পর আমদানিকারক ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
অভিযোগের পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে মো. হাফিজুর রহমান আরও বলেন, 'এখন আমাদের অভিযোগের পর শুনেছি বন্দর কর্তৃপক্ষ কমিটি গঠন করে বিষয়টি তদন্ত করছে। কিন্তু আজ পর্যন্ত কনটেইনারটির কোন হদিস দিতে পারছে না।'








