গ্রীষ্মকালীন দলবদলে প্রিমিয়ার লিগের রেকর্ড খরচ
গ্রীষ্মকালীন দলবদলে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলো সব রেকর্ড ভেঙে ৩.৪৬ বিলিয়ন পাউন্ড খরচ করেছে। ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগের মোট খরচের প্রায় ৫১ শতাংশই এসেছে ইংলিশ ক্লাবগুলোর কাছ থেকে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

ইউরোপে গ্রীষ্মকালীন দলবদলের উইন্ডো বন্ধ হয়েছে গত সেপ্টেম্বরের প্রথম দিনে। এই দলবদলে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলো সর্বকালের সব রেকর্ড ভেঙে খরচ করেছে ৩.৪৬ বিলিয়ন পাউন্ড। ফুটবল ট্রান্সফার্স ডটকম এবং বিবিসি স্পোর্ট সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
চলতি গ্রীষ্মকালীন দলবদলে ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগের মোট খরচের প্রায় ৫১ শতাংশই করেছে ইংলিশ ক্লাবগুলো। গত ১২ মাসের আগের ৩.১৪ বিলিয়ন পাউন্ডের খরচের তুলনায় এই অঙ্ক আরও বেশি। এছাড়া পাঁচ বছর আগের ১.১৩ বিলিয়ন পাউন্ডের খরচের তুলনায় এবারের মোট ব্যয়ের অঙ্কটি বিশাল।
ফুটবল ট্রান্সফার্স ডটকমের পল ম্যাকডোনাল্ড এই বিষয়ে বলেছেন, "পাঁচ বছর আগের ১.১৩ বিলিয়ন পাউন্ডের খরচের তুলনায় এবারের মোট ব্যয়ের অঙ্কটি বিশাল, যা বিশ্বসেরা প্রতিভাদের নিজেদের দিকে আকৃষ্ট করার ক্ষেত্রে ইংলিশ ক্লাবগুলোর আর্থিক ক্ষমতারই স্পষ্ট বার্তা দেয়।"
দলবদলের শেষ দিনেও বড় অঙ্কের অর্থ লেনদেন হয়েছে। শুধু ডেডলাইন ডে-তেই দলবদলে মোট ৪৭৫ মিলিয়ন পাউন্ড খরচ হয়েছে। যেখানে গত বছর ডেডলাইন ডে-তে খরচ ছিল ৩৯১ মিলিয়ন পাউন্ড।
এই দলবদলে বেশ কিছু বড় অঙ্কের ট্রান্সফার সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে এভারটন থেকে ইলিম্যান এনদিয়াইয়ের ৬০ মিলিয়ন পাউন্ডে ম্যানচেস্টার সিটিতে পাড়ি জমানো। এছাড়া চেলসি থেকে ম্যানচেস্টার সিটিতে এনজো ফার্নান্দেজের যৌথ-ব্রিটিশ রেকর্ড ১২৫ মিলিয়ন পাউন্ডের ট্রান্সফার হয়েছে।
অন্যান্য খেলোয়াড়দের মধ্যে টটেনহ্যাম স্যান্ড্রো তোনালিকে দলে নিতে ক্লাব রেকর্ড ১০০ মিলিয়ন পাউন্ড পর্যন্ত খরচ করতে রাজি হয়েছে। মাতেউস ফার্নান্দেসের ট্রান্সফার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৮৫ মিলিয়ন পাউন্ড। পাশাপাশি সাভিওর ট্রান্সফার মূল্য রয়েছে ৭৫ মিলিয়ন পাউন্ড, যা বেড়ে ৮৫ মিলিয়ন পাউন্ড হতে পারে।
এই বিশাল ব্যয়ের মাধ্যমে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ ইউরোপীয় ফুটবলের বাজারে তাদের অর্থনৈতিক আধিপত্য আরও শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করেছে। লা লিগা, সেরি এ, বার্সেলোনা, এসি মিলান, জুভেন্তাস, পিএসজি, ওয়েস্টহ্যাম, রিয়াল মাদ্রিদ, নিউক্যাসল এবং ইপসউইচ টাউনসহ অন্যান্য ইউরোপীয় ক্লাব ও লিগের মাঝে এই রেকর্ড পরিমাণ অর্থ খরচ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।








