খুলনায় হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি জনির শপথ গ্রহণ
খুলনায় শীর্ষ সন্ত্রাসী রনি চৌধুরীর ভাই ও হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মাহামুদুন চৌধুরী জনি মোংলা বন্দর এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন। সম্প্রতি জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর শনিবার তিনি এই শপথ নেন। গত ১৪ জুন পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছিল।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

খুলনায় শীর্ষ সন্ত্রাসী রনি চৌধুরীর ভাই ও হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মাহামুদুন চৌধুরী জনি মোংলা বন্দর এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন। গত ১৪ জুন রাতে খুলনার শীর্ষ সন্ত্রাসী রনি চৌধুরীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তার ভাই মাহামুদুন চৌধুরী জনিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ এবং পরে তাকে রিমান্ডে নেওয়া হয়। সম্প্রতি জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি এই দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, গত ৪ মার্চ খুলনা নগরীর ডাকবাংলো মোড়ে রূপসা উপজেলা শ্রমিক দলের সাবেক আহ্বায়ক মাসুম বিল্লাহকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এই চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ছিলেন মাহামুদুন চৌধুরী জনি। পুলিশ গত ১৪ জুন রাতে তার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে এবং পরবর্তীতে তাকে রিমান্ডে নেয়।
এর আগে গত ২৩ মে মোংলা বন্দর এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনে সবাই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। সম্প্রতি জামিনে মুক্তি পাওয়া জনি শনিবার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। নির্বাচন ও শপথ গ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পর্কে মুজিবর রহমান জানান, প্রতিটি পদে একজন করে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দেন। কেউ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করায় সবাইকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত করা হয়। অ্যাসোসিয়েশনে কিছু সমস্যা থাকায় গতকাল শনিবার তাদের শপথ পড়িয়েছি।
এই কমিটি ও নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা তৈরি হয়। অচলাবস্থা নিরসনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে মনিরুজ্জামান মনি বলেন, অচলাবস্থা নিরসনের জন্য ওরা এসেছিল। মবের কারণে ওই কমিটি কাজ করতে পারেনি। সব মনে নেই।
এদিকে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ও মামলার বিষয়ে মাহামুদুন চৌধুরী জনি দাবি করেছেন, পুলিশ সন্দেহভাজন হয়ে আমাকে গ্রেপ্তার করেছিল। এজাহারে আমার নাম নেই। বাদী আদালতকে বলেছেন, আমি হত্যাকাণ্ডে জড়িত নই। মামলা ওখানেই শেষ।
এই পুরো ঘটনাপ্রবাহে মাসুম বিল্লাহ হত্যা মামলা, পুলিশের অভিযান, মাহামুদুন চৌধুরী জনির গ্রেপ্তার ও রিমান্ড এবং পরবর্তী সময়ে জামিনে মুক্তি পেয়ে মোংলা বন্দর এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে শপথ নেওয়ার বিষয়টি খুলনা ও মোংলা জুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠনের নাম এই প্রেক্ষাপটে বারবার উঠে আসছে।








