কোলোসিটি লিমিটেডের উদ্যোগে ইমেইল নিরাপত্তা সেমিনার অনুষ্ঠিত
গত ২০ আগস্ট ঢাকার রেনেসাঁ গুলশান হোটেলে কোলোসিটি লিমিটেডের উদ্যোগে এন্টারপ্রাইজ ইমেইল নিরাপত্তা ও জিমব্রা বিষয়ক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে জিমব্রা ও ব্যারাকুডা নেটওয়ার্কসের সল্যুশনের মাধ্যমে নিরাপদ যোগাযোগ অবকাঠামো নিয়ে আলোচনা করা হয়।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

গত ২০ আগস্ট রাজধানী ঢাকার রেনেসাঁ গুলশান হোটেলে একটি বিশেষ ইভেন্টের আয়োজন করে কোলোসিটি লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটি কর্তৃক আয়োজিত এই সেমিনারে মূলত এন্টারপ্রাইজ ইমেইল নিরাপত্তা ও জিমব্রা বিষয়ক বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিল্পখাতের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
কোলোসিটি লিমিটেড বাংলাদেশে জিমব্রার একটি অনুমোদিত সেবাদাতা হিসেবে কাজ করছে। এই আয়োজনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি জিমব্রার মেসেজিং প্ল্যাটফর্মের পাশাপাশি উন্নত প্রযুক্তির নানা দিক তুলে ধরে। মূলত জিমব্রা ও ব্যারাকুডা নেটওয়ার্কসকে একসঙ্গে এনে নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য ইমেইল পরিবেশের দুটি গুরুত্বপূর্ণ দিককে একত্র করা হয়েছে এই সেমিনারে।
অনুষ্ঠানে কোলোসিটি লিমিটেড ইমেইল নিরাপত্তায় ব্যারাকুডা নেটওয়ার্কসের নিরাপত্তা সল্যুশন যুক্ত করার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে ধরে। এর ফলে গ্রাহকরা আরও শক্তিশালী ও উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সেমিনারে বক্তব্য প্রদানকালে কোলোসিটি লিমিটেডের মোঃ আল ফুয়াদ বলেন, ইমেইল এখন প্রতিষ্ঠানের আইটি অবকাঠামোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর একটি। একই সঙ্গে এটি সাইবার হামলার অন্যতম প্রধান লক্ষ্যবস্তু। আমরা এই ইভেন্টের মাধ্যমে দেখাতে চেয়েছি, একটি ভালো মেসেজিং প্ল্যাটফর্মের পাশাপাশি শক্তিশালী নিরাপত্তা স্তরও প্রয়োজন। জিমব্রা ও ব্যারাকুডা নেটওয়ার্কসকে একসঙ্গে এনে আমরা নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য ইমেইল পরিবেশের দুটি গুরুত্বপূর্ণ দিককে একত্র করেছি।
তিনি আরও বলেন, এন্টারপ্রাইজ ইমেইল শুধু যোগাযোগের একটি মাধ্যম নয়; এটি প্রতিষ্ঠানের ডিজিটাল অবকাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই আয়োজনের মাধ্যমে আমরা বিভিন্ন শিল্পখাতের প্রতিনিধিদের এক জায়গায় এনে নিরাপদ, স্কেলেবল ও পেশাদার মেসেজিং সল্যুশন নিয়ে আলোচনা করতে চেয়েছি। বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও শক্তিশালী যোগাযোগ অবকাঠামো গড়ে তুলতে সহায়তা করাই আমাদের লক্ষ্য।
উল্লেখ্য, কোলোসিটি লিমিটেডের এই উদ্যোগের ফলে দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নিজেদের ডিজিটাল যোগাযোগ ও ডেটা সুরক্ষার ক্ষেত্রে আরও সচেতন ও প্রস্তুত হতে পারবে। আধুনিক প্রযুক্তির এসব সল্যুশন দেশের আইটি খাতের অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।








