কুয়েতকে উপহারের ২০ টন মাছ নিলামে বিক্রির সিদ্ধান্ত
কুয়েত সরকারকে উপহার হিসেবে পাঠানোর জন্য কেনা ২০ মেট্রিক টন মাছ ফ্লাইট জটিলতার কারণে পাঠানো সম্ভব হয়নি। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় এখন এই মাছগুলো খুলনার প্রসেসিং প্ল্যান্টে নিলামে বিক্রি করা হচ্ছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

কুয়েত সরকারকে উপহার হিসেবে পাঠানোর জন্য ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) কর্তৃক কেনা ২০ মেট্রিক টন মাছ শেষ পর্যন্ত নিলামে বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২২ আগস্ট ২০২৬ তারিখে খুলনা থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, কুয়েত সরকারের কাছে পাঠানোর উদ্দেশ্যে এই বিশাল পরিমাণ মাছ সংগ্রহ করা হয়েছিল।
সংগৃহীত মাছের পুরো চালানের মোট পরিমাণ ছিল ২০ মেট্রিক টন। এর মধ্যে সুনির্দিষ্টভাবে ১০ মে টন গলদা চিংড়ি, ৫ মে টন বাগদা চিংড়ি এবং বাকি ৫ মে টন রূপচাঁদা মাছ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। উপহার পাঠানোর জন্য অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে এই মানসম্মত মাছগুলো সংগ্রহ করা হয়েছিল।
তবে আন্তর্জাতিক প্রক্রিয়া ও কূটনৈতিক উপহার পাঠানোর ক্ষেত্রে অপ্রত্যাশিত জটিলতা দেখা দেয়। ফ্লাইট জটিলতার কারণে নির্ধারিত সময়ে এই মাছগুলো কুয়েতে পাঠানো আর সম্ভব হয়নি। ফলে সরকারের এই উপহারের চালানটি দেশে আটকে যায় এবং তা সংরক্ষণের প্রয়োজন পড়ে।
বর্তমানে এই মাছগুলো নষ্ট হওয়া থেকে রক্ষা করতে যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে। টিসিবির এই মাছগুলো বর্তমানে খুলনার ট্রাস্ট সি ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের আধুনিক প্রসেসিং প্ল্যান্টে সুসংরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে।
দীর্ঘদিন প্ল্যান্টে সংরক্ষিত থাকায় এবং কুয়েতে পাঠানোর পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এগুলো ব্যবস্থাপনার বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত আসে। এরই ধারাবাহিকতায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।
সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় কুয়েতকে উপহার দেওয়ার জন্য কেনা এই মাছগুলো এখন আনুষ্ঠানিকভাবে নিলামে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নিলাম প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে হলে কমপক্ষে ৫০০ কেজি মাছের জন্য আবেদন করতে হবে এবং এজন্য ১৫ হাজার টাকা জামানত নির্ধারণ করা হয়েছে।








