কুনমিংয়ে ২১ আগস্ট শুরু হচ্ছে মেকং-লানচান ফ্রুটস ফেস্টিভ্যাল
চীনের ইউনান প্রদেশের রাজধানী কুনমিংয়ে আগামী ২১ আগস্ট ২০২৬ মেকং-লানচান ফ্রুটস ফেস্টিভ্যাল ২০২৬ শুরু হতে যাচ্ছে। এই ফল উৎসবে দ্বিতীয়বারের মতো কো-অর্গানাইজার হিসেবে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) এবং চীনের ইউনান প্রদেশের বাণিজ্য বিভাগের মধ্যকার সমঝোতা স্মারকের ধারাবাহিকতায় এবারের উৎসবে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ আরও শক্তিশালী হয়েছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

চীনের ইউনান প্রদেশের রাজধানী কুনমিংয়ে আগামী ২১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে শুরু হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক মেকং-লানচান ফ্রুটস ফেস্টিভ্যাল ২০২৬। দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশের অংশগ্রহণে এই ফল উৎসবটি অত্যন্ত গুরুত্ব বহন করে আসছে। প্রতি বছরের মতো এবারও কুনমিং শহরে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই উৎসবের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
এই বিশেষ ফল উৎসবে এবার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জন করেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ এই উৎসবে দ্বিতীয়বারের মতো কো-অর্গানাইজার বা সহ-আয়োজক হিসেবে অংশ নিচ্ছে। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ফল ও কৃষিভিত্তিক পণ্যের পরিচিতি আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
বাংলাদেশি পণ্যের আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণ এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদার করার ক্ষেত্রে এই উৎসব বিশেষ ভূমিকা রাখছে। উৎসবে বাংলাদেশের এই সক্রিয় উপস্থিতি দুই দেশের মধ্যকার অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতার ক্ষেত্রকে আরও প্রশস্ত করবে।
উল্লেখ্য, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) এবং চীনের ইউনান প্রদেশের বাণিজ্য বিভাগের মধ্যে ইতিপূর্বে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এই সমঝোতা স্মারকের ধারাবাহিকতায় এবারের মেকং-লানচান ফ্রুটস ফেস্টিভ্যাল ২০২৬-এ বাংলাদেশের অংশগ্রহণ আগের তুলনায় আরও বেশি শক্তিশালী হয়েছে।
ইপিবি ও চীনের ইউনান প্রদেশের বাণিজ্য বিভাগের যৌথ এই উদ্যোগের ফলে দুই দেশের বাণিজ্য সম্প্রসারণের নতুন দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর থেকেই বাংলাদেশ ও চীনের সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো এই উৎসব সফল করতে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
আগামী ২১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে কুনমিংয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে পর্দা ওঠার পর মেকং-লানচান ফ্রুটস ফেস্টিভ্যাল ২০২৬ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি ও দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত হবে। এই উৎসবের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে আঞ্চলিক বাণিজ্য ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।








