কিশোরদের সুরক্ষায় মেটার কড়া বিধিনিষেধ
অনলাইন নিরাপত্তা বাড়াতে এবং স্ক্রিন টাইম কমাতে ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকে নতুন বিধিনিষেধ আনছে মেটা। যুক্তরাষ্ট্রের একটি মামলার নিষ্পত্তির অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এর আওতায় কিশোর-কিশোরীদের জন্য প্রতিদিন সর্বোচ্চ দুই ঘণ্টা অ্যাপ ব্যবহারের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

কিশোর-কিশোরীদের অনলাইন নিরাপত্তা বাড়াতে এবং স্ক্রিন টাইম কমাতে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকে নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করতে যাচ্ছে প্রযুক্তি জায়ান্ট মেটা। মূলত যুক্তরাষ্ট্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসক্তি নিয়ে চলা একটি মামলার নিষ্পত্তির অংশ হিসেবে এসব কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে কিশোর ব্যবহারকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে।
নতুন এই বিধিনিষেধে কিশোর-কিশোরীদের প্রতিদিন অ্যাপ ব্যবহারের ক্ষেত্রে সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। এর আওতায় কিশোর-কিশোরীরা প্রতিদিন সর্বোচ্চ দুই ঘণ্টা ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুক ব্যবহার করতে পারবে। পাশাপাশি রাতের বেলা, অর্থাৎ রাত ১২টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত এই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো ব্যবহার করা যাবে না।
এ ছাড়া স্কুল চলাকালে কিশোর ব্যবহারকারীদের মনোযোগ রক্ষার্থে নতুন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। স্কুল চলাকালীন, অর্থাৎ সকাল ৮টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত অ্যাপগুলো থেকে নোটিফিকেশন পাঠানো বন্ধ রাখা হবে। একই সঙ্গে অপরিচিত প্রাপ্তবয়স্কদের সঙ্গে কিশোর-কিশোরীদের যোগাযোগ সীমিত করা হবে এবং তাদের জন্য পোস্টে লাইক দেওয়ার সংখ্যা গোপন রাখা হবে।
তবে এই নিয়মের মধ্যে কিছু ক্ষেত্রে অভিভাবক নিয়ন্ত্রণের সুযোগ রাখা হয়েছে। অভিভাবকেরা প্যারেন্টাল কন্ট্রোল ব্যবস্থার মাধ্যমে চাইলে তাদের সন্তানকে অতিরিক্ত সময় অ্যাপ ব্যবহারের অনুমতি দিতে পারবেন। এর ফলে পারিবারিক তত্ত্বাবধানের বিষয়টিও বজায় থাকবে।
নিরাপত্তা জোরদারকরণের এই কার্যক্রম বাস্তবায়নে নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী ছয় মাসের মধ্যে নতুন বিধিনিষেধগুলো ধাপে ধাপে আরোপ করা হবে। তবে ব্যবহারকারীদের বয়স যাচাইসংক্রান্ত কিছু পরিবর্তন পুরোপুরি কার্যকর করতে এক বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
এই উদ্যোগের আরেকটি বড় অংশ হলো বয়সসীমা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা। নিয়ম অনুযায়ী, ১৩ বছরের কম বয়সী শিশুদের অ্যাকাউন্ট শনাক্ত করে তা মুছে ফেলার কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে। এর মাধ্যমে অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশুদের প্ল্যাটফর্মগুলোর ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করার চেষ্টা করা হচ্ছে।








