কামারখন্দে তরমুজ চাষে লাখ টাকা লাভের আশা হাসিবুরের
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার মুগবেলাই গ্রামে মাচা পদ্ধতিতে কানিয়া জাতের তরমুজ চাষ করে সফল হয়েছেন কৃষক হাসিবুর রহমান। এই পদ্ধতিতে তার খরচ হয়েছে প্রায় ৩০ হাজার টাকা এবং তিনি লাখ টাকা লাভের আশা করছেন।
প্রকাশ: · আপডেট: ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ৯:৩১· ১ মিনিট পড়া

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার মুগবেলাই গ্রামে অভিনব পদ্ধতিতে তরমুজ চাষ করে সফলতার মুখ দেখেছেন কৃষক হাসিবুর রহমান। তিনি তার ২০ শতক জমিতে কানিয়া জাতের তরমুজ চাষ করেছেন। প্রচলিত পদ্ধতির বাইরে গিয়ে তিনি এবার মাচা পদ্ধতিতে এই তরমুজের আবাদ করেছেন, যা স্থানীয় কৃষক মহলে বেশ সাড়া ফেলেছে।
মাচা পদ্ধতিতে তরমুজ চাষ করায় কৃষকের উৎপাদন খরচ ও শ্রম দুটোই কমে এসেছে। এই বিষয়ে চাষী হাসিবুর রহমান বলেন, কানিয়া জাতের তরমুজে রোগবালাই ও পোকামাকড়ের আক্রমণ তুলনামূলক কম। মাচা পদ্ধতিতে চাষ করায় মাটির আর্দ্রতা ধরে রাখা যায় এবং আগাছার উপদ্রবও কমে। এতে পরিচর্যার শ্রম ও খরচ কম লাগে।
তরমুজ চাষের আর্থিক দিক সম্পর্কে জানা যায়, পূর্বে এই ধরণের আবাদে ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকা খরচ হলেও বর্তমান পদ্ধতিতে হাসিবুর রহমানের প্রায় ৩০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। তবে খরচ বাড়লেও তিনি এবার বেশ ভালো লাভের মুখ দেখার আশা করছেন এবং তার লক্ষ্য প্রায় লাখ টাকা আয় করা।
বর্তমানে উৎপাদিত তরমুজ বাজারে বিক্রি শুরু হয়েছে। বাজারদরের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাজারে কানিয়া জাতের তরমুজ প্রতি কেজি ৬০ থেকে ৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। চারা রোপণের সময় থেকে হিসাব করলে ৬০ থেকে ৬৫ দিনের মধ্যে এই তরমুজ বাজারজাতকরণের উপযোগী হয়।
কৃষক হাসিবুরের এই উদ্যোগে দারুণ সন্তোষ প্রকাশ করেছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ। কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, তার এই ২০ শতক জমিতে ৫০ থেকে ৫৫ মণ তরমুজ উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। ভালো ফলন পাওয়ার কারণে তরমুজগুলো থেকে কাঙ্ক্ষিত অর্থনৈতিক সাফল্য আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
কৃষকদের এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকেও বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এই বিষয়ে ফরিদ হোসাইন বলেন, হাসিবুর রহমানের উদ্যোগ প্রশংসনীয়। মাচা পদ্ধতিতে তিনি ভালো ফলন পেয়েছেন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে তাকে প্রয়োজনীয় কারিগরি পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।








