ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ ও পুলিশের বলপ্রয়োগ: অ্যামনেস্টির প্রতিবেদন
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ ও পুলিশের বলপ্রয়োগ নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। প্রতিবেদনে দিল্লি ও বিহারে বিক্ষোভকারীদের ওপর নানা দমনপীড়নের চিত্র উঠে এসেছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভারতের নয়াদিল্লিতে তীব্র বিক্ষোভ শুরু হয়। এই বিক্ষোভ ও পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বলপ্রয়োগের নানা দিক নিয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
গত ২০ জুলাই এই বিক্ষোভ সহিংস রূপ নেয়। ওই দিন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ব্যানারে বিক্ষোভকারীরা ভারতের পার্লামেন্টের দিকে একটি মিছিল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় দিল্লি পুলিশ তাদের মিছিলে বাধা দেয় এবং উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের প্রকাশিত প্রতিবেদনে দিল্লি ও বিহারে আন্দোলনরত বিক্ষোভকারীদের ওপর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চরম বলপ্রয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, বিক্ষোভ দমনে প্যালেটচালিত শটগান, কাঁদানে গ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড, লাঠি এবং ইলেকট্রিক শকের যন্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে।
এই আন্দোলনের জেরে রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় ধরনের পরিবর্তন আসে। তীব্র বিক্ষোভের মুখে পড়ে ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগে বাধ্য হন। শিক্ষামন্ত্রীর এই পদত্যাগ আন্দোলনকে ভিন্ন মাত্রা দেয়।
বিক্ষোভ চলাকালে সংঘাতের সময় রাজনৈতিক নেতাদের সক্রিয় উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী দিল্লির একটি থানার বাইরে গিয়ে ১৯ বছর বয়সী এক আহত বিক্ষোভকারীর সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে অবস্থান ধর্মঘট করেন।
এদিকে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। আদালতের পক্ষ থেকে উভয় পক্ষের সহিংসতার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য গত বৃহস্পতিবার একটি বিশেষ প্যানেল গঠন করা হয়েছে।








