ওয়ালটন করপোরেট অফিসে অগ্নিনির্বাপণ ও উদ্ধার প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
ওয়ালটন করপোরেট অফিসে অগ্নিনির্বাপণ, জরুরি উদ্ধার ও প্রাথমিক চিকিৎসা বিষয়ক বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তাদের পরিচালনায় এই প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

ওয়ালটন করপোরেট অফিসে অগ্নিনির্বাপণ, জরুরি উদ্ধার ও প্রাথমিক চিকিৎসা বিষয়ক একটি বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার দিনব্যাপী আয়োজিত এই গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশ নেন। করপোরেট অফিসে যেকোনো ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।
অনুষ্ঠিত এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের দক্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন। তারা অংশগ্রহণকারীদের আগুন লাগার প্রাথমিক পর্যায়ে তা নেভানোর কৌশল, জরুরি মুহূর্তে দ্রুত ভবন থেকে উদ্ধার কাজ পরিচালনা এবং আহত ব্যক্তিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার বিভিন্ন বাস্তবভিত্তিক উপায় হাতে-কলমে শিখিয়ে দেন।
উক্ত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় ওয়ালটনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী ও অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শেখ মো. গোলাম মোস্তফা, ছালেহ্ উদ্দিন, সৈয়দ মনিরুল ইসলাম, মো. মোজাহারুল ইসলাম এবং মো. কুদরত মোল্যা। তাদের উপস্থিতিতে পুরো প্রশিক্ষণ কার্যক্রমটি অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়।
প্রশিক্ষণ চলাকালীন ফায়ার সার্ভিসের বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন ধরনের অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রের সঠিক ব্যবহার প্রদর্শন করেন। এছাড়া, ভূমিকম্প বা অন্যান্য জরুরি পরিস্থিতিতে হুড়োহুড়ি না করে কীভাবে নিরাপদে বাইরে বেরিয়ে আসতে হবে, সে বিষয়েও বিস্তারিত দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। অংশগ্রহণকারীরাও অত্যন্ত আগ্রহের সঙ্গে এসব কৌশল রপ্ত করেন।
প্রশিক্ষণ শেষে এ বিষয়ে নিজস্ব মতামত ব্যক্ত করেন মো. কুদরত মোল্যা। তিনি বলেন, 'কর্মকর্তਾ ও কর্মচারীদের অগ্নিনির্বাপণ, জরুরি উদ্ধার ও প্রাথমিক চিকিৎসা বিষয়ে দক্ষতা থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের প্রশিক্ষণ জরুরি পরিস্থিতিতে জীবন রক্ষা এবং বড় ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখে।'
উল্লেখ্য, ওয়ালটন করপোরেট অফিস নিয়মিতভাবে এ ধরনের নিরাপত্তা সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। এই কর্মশালার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন। ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় ভবিষ্যতে এই ধরনের প্রশিক্ষণ আরও বড় পরিসરે অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।








