ওষুধ শিল্পের অগ্রগতি, চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে সভা
রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বাংলাদেশ ঔষধ শিল্প সমিতি (বাপি) ও বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরামের (বিএইচআরএফ) যৌথ উদ্যোগে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং উৎপাদন ব্যয় বাড়ার বিষয়টি উঠে আসে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বাংলাদেশ ঔষধ শিল্প সমিতির (বাপি) কার্যালয়ে সম্প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘ওষুধ শিল্পের অগ্রগতি: চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক এই সভাটির আয়োজন করে বাংলাদেশ ঔষধ শিল্প সমিতি (বাপি) এবং বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএইচআরএফ)। সোমবার অনুষ্ঠিত এই সভায় দেশের ওষুধ খাতের বর্তমান নানা দিক এবং বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করা হয়।
সভায় জানানো হয় যে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বাড়ার কারণে দেশে বর্তমানে ওষুধ উৎপাদনের ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে জ্বালানি সংকট ও খরচ বৃদ্ধির বিষয়টি এই শিল্প খাতের জন্য বড় একটি উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে নানা ধরনের বাড়তি খরচের মধ্য দিয়ে উৎপাদন কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হচ্ছে উদ্যোক্তাদের।
সভায় উপস্থিত হালিমুজ্জামান ওষুধ উৎপাদন খাতের বিভিন্ন খরচের চিত্র তুলে ধরে বলেন, ‘এনার্জি ওয়ান অব দেম, যেটা আমরা চোখে দেখছি। আর বাকি যেগুলো আছে, সেটা আমরা এখন চোখে দেখছি না। আমরা বুঝতেও পারছি না, ওই খরচ আসলে কত।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই সবগুলিই আসলে ওষুধের উৎপাদন খরচ। তবে এটা ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। এর মধ্যে জ্বালানির খরচও যদি এভাবে বাড়তে থাকে, তাহলে তা অবশ্যই আমাদের মুনাফার ওপর প্রভাব ফেলবে।’
সভায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের ব্যয় বৃদ্ধির সুনির্দিষ্ট কিছু পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়। জানানো হয় যে, বিদ্যুতের সরকারি রেট ১৫ টাকা থেকে বেড়ে ৪২ টাকা হয়েছে। এছাড়া গ্যাসের তীব্র সংকট থাকার কারণে কারখানাগুলোকে বাধ্য হয়ে জেনারেটরের জন্য ডিজেলের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।
উৎপাদন ব্যয় বাড়ার পাশাপাশি ওষুধ পরীক্ষার প্রক্রিয়া এবং মান নিয়ন্ত্রণের পরিধিও বেড়েছে বলে সভায় উল্লেখ করা হয়। জানানো হয় যে, আগে যেখানে মাত্র পাঁচটি পরীক্ষা করতে হতো, বর্তমানে পরীক্ষার সংখ্যা বেড়ে আটটি হয়েছে। এছাড়া গুণগত মান নিশ্চিত করতে গিয়ে কোনো কোনো ওষুধে এখন ১৮ থেকে ২০ ধরনের ইমপিউরিটি শনাক্ত করতে হয়।








