ওয়েস্টমিনস্টার গণতন্ত্র রুখতে পারে না: কেলটিক নেতাদের শীর্ষ বৈঠক
সাংবিধানিক পরিবর্তন এবং স্বাধীনতার প্রস্তুতির ডাক দিয়ে কার্ডিফে ঐতিহাসিক বৈঠকে মিলিত হয়েছেন কেলটিক নেশনস বা সেল্টিক জাতিগোষ্ঠীর নেতারা। সোমবার অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

সোমবার কার্ডিফ শহরে সেল্টিক জাতিগোষ্ঠীর শীর্ষ নেতারা একটি ঐতিহাসিক বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। এই সম্মেলনে প্লাইড সিমরু, এসএনপি বা স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টি এবং সিন ফেইনের শীর্ষ নেতারা অংশ নেন। এছাড়া আইরিশ বিরোধীদলীয় নেতাও এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। সাংবিধানিক পরিবর্তনের লক্ষ্যে তারা একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছেন।
বৈঠকে অংশগ্রহণকারী নেতারা একটি যৌথ স্মারকলিপি প্রকাশ করেছেন। এই স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, আমাদের আন্দোলনের পেছনে গতিশীলতা রয়েছে এবং আমরা বিশ্বাস করি সাংবিধানিক পরিবর্তন আসছে। এতে আরও বলা হয়, কোনো ওয়েস্টমিনস্টার সরকারেরই গণতন্ত্রকে বাধা দেওয়ার বা এই মূলনীতিকে ক্ষুণ্ন করার কোনো অধিকার নেই যে আমাদের জনগণ তাদের নিজেদের ভবিষ্যৎ নিজেরাই নির্ধারণ করবে।
স্মারকলিপিতে ব্রিটিশ সরকারের প্রতি সুনির্দিষ্ট আহ্বান জানানো হয়েছে। নেতারা দাবি করেছেন যে ব্রিটিশ সরকারের উচিত প্রতিটি বিচারব্যবস্থায় সাংবিধানিক পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া, পরিকল্পনা করা এবং তা সহজতর করা।
বৈঠকের এই যৌথ অবস্থানের বাইরে দলগুলোর নিজস্ব রাজনৈতিক লক্ষ্যের কথাও উঠে এসেছে। সিন ফেইনের নেতা আশা প্রকাশ করেছেন যে, আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে একটি আইরিশ পুনরেকত্রীকরণ ভোট অনুষ্ঠিত হবে।
অন্যদিকে, স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টি বা এসএনপির পক্ষ থেকেও সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক লক্ষ্যের কথা জানানো হয়েছে। দলটি আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দ্বিতীয় আরেকটি স্বাধীনতা গণভোট আয়োজনের দাবি জানাচ্ছে।
কার্ডিফে অনুষ্ঠিত এই শীর্ষ সম্মেলনে মিচেল ও'নিল, মেরি লু ম্যাকডোনাল্ড, রুন আপ আইওরওয়েথ, জন সুইনি, অ্যান্ডি বার্নহাম, ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং লরা ম্যাকঅ্যালিস্টারের মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। এছাড়া এই প্রক্রিয়ায় সিন ফেইনের পাশাপাশি প্লাইড সিমরু, স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টি, যুক্তরাজ্য সরকার এবং কার্ডিফ ইউনিভার্সিটি যুক্ত রয়েছে।








