এলজিইডির উন্নয়ন সভা, কম ব্যয়ে কাজ করার নির্দেশ ড. মঈন খানের
আগারগাঁওয়ের এলজিইডি ভবনের মিলনায়তনে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উন্নয়নমূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। সভাপতিত্ব করেন এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী মো. বেলাল হোসেন।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

গত শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর আগারগাঁওয়ের এলজিইডি ভবনের মিলনায়তনে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উদ্যোগে একটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়নমূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশের গ্রামীণ জনপদের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনার জন্য আয়োজিত এই সভায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তা ও নীতিনির্ধারকরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। এছাড়া সভায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. বেলাল হোসেন। এই সভায় অন্যান্যের মধ্যে বেগম খালেদা জিয়া, মীর শাহে আলম এবং মো. শহীদুল হাসান উপস্থিত ছিলেন।
সভায় দেশের সার্বিক উন্নয়ন কাঠামো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় জানানো হয় যে, প্রায় ৩৫ বছর আগে প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থাটি বর্তমানে দেশের ৬৪ জেলা এবং ৫০৩টি উপজেলায় তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এসব এলাকার তৃণমূল পর্যায়ের অবকাঠামো উন্নয়নে প্রতিষ্ঠানটির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে সভায় উল্লেখ করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. আবদুল মঈন খান গ্রামীণ জনপদের উন্নয়নে প্রকৌশলী ও কর্মকর্তাদের ভূমিকার কথা তুলে ধরে বলেন, সারা বাংলাদেশের গ্রামীণ অবকাঠামো ও জনপদের উন্নয়নের চাবিকাঠি এই কক্ষের কর্মকর্তাদের হাতে। সেই চাবিকাঠি সঠিক দিকে ঘোরাতে পারলে উন্নয়ন হবে। ভুল দিকে ঘোরালে উন্নয়ন বন্ধ হয়ে যাবে।
সরকারি সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ জোর দিয়ে মন্ত্রী বলেন, দেশের সীমিত সম্পদকে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে হবে। জনগণের সম্পদের কাস্টডিয়ান হিসেবে সরকারি কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। তিনি কর্মকর্তাদের আরও বেশি মননশীল ও সতর্ক হওয়ার তাগিদ দেন।
ব্যয় সংকোচন ও সুশাসনের ওপর গুরুত্বারোপ করে ড. আবদুল মঈন খান আরও বলেন, দেশের সম্পদ সীমিত। তাই একটি কাজ করতে ১০ কোটি টাকা প্রয়োজন হলেও কীভাবে কম ব্যয়ে তা বাস্তবায়ন করা যায়, সে বিষয়ে ভাবতে হবে। জনগণের সম্পদ সঠিকভাবে ব্যবহার ও রক্ষা করা তাদের দায়িত্ব।
পরিশেষে, বর্তমান প্রেক্ষাপটে এলজিইডির কাজের মান বজায় রেখে এবং ব্যয় সাশ্রয় করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সকল উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের তাগিদ দিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। সভায় উপস্থিত কর্মকর্তারা মন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে নিজেদের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।








