এলজি অ্যাম্বাসেডর চ্যালেঞ্জ ২০২৬-এর বিজয়ী ৫ প্রকল্প ঘোষণা
এলজি ইলেকট্রনিকস সিঙ্গাপুর বাংলাদেশ ব্রাঞ্চ ‘এলজি অ্যাম্বাসেডর চ্যালেঞ্জ ২০২৬’-এর বিজয়ী পাঁচটি সামাজিক উদ্যোগের নাম ঘোষণা করেছে। গত মঙ্গলবার ঢাকার গুলশান-১-এ প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে এই বিজয়ীদের নাম জানানো হয়।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

এলজি ইলেকট্রনিকস সিঙ্গাপুর বাংলাদেশ ব্রাঞ্চ ‘এলজি অ্যাম্বাসেডর চ্যালেঞ্জ ২০২৬’-এর বিজয়ী পাঁচটি প্রকল্পের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে। সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে এবং বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে সহায়তা করার লক্ষ্যে এই প্রতিযোগিতা পরিচালিত হয়ে আসছে।
গত মঙ্গলবার রাজধানী ঢাকার গুলশান-১-এ অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব কার্যালয়ে বিজয়ী প্রকল্পের নাম ঘোষণা উপলক্ষে এক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানেই প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হওয়া উদ্যোক্তা ও প্রকল্পগুলোর নাম প্রকাশ করা হয়।
এবারের প্রতিযোগিতায় দেশজুড়ে বিভিন্ন খাতের অসংখ্য উদ্যোগের মধ্য থেকে বিজয়ী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে মোট পাঁচটি সামাজিক উদ্যোগ। বিজয়ী প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে কক্সবাজারের ‘কোস্টাল লাইফলাইন’, সিরাজগঞ্জের ‘অ আ ক খ স্কুল’, সাতক্ষীরার ‘উপকূল অঞ্চলের নিরাপত্তা/ভিএএন প্রজেক্ট’, খুলনার ‘সুন্দরবনের নারীদের সেলাই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ক্ষমতায়ন’ এবং রাজশাহীর ‘প্রজেক্ট উদয়’।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সংশ্লিষ্টরা জানান, এই প্রকল্পগুলো স্ব স্ব এলাকায় জনকল্যাণমূলক কাজ ও সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে এসব উদ্যোগ দীর্ঘমেয়াদী সুফল বয়ে আনবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে এই এলজি অ্যাম্বাসেডর চ্যালেঞ্জ কার্যক্রমটি প্রথম শুরু হয়েছিল ২০১৭ সালে। সেই থেকে শুরু করে অদ্যাবধি এই কর্মসূচির মাধ্যমে অসংখ্য সামাজিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পকে নিয়মিত সহায়তা প্রদান করা হয়ে আসছে।
এ বিষয়ে এলজি-র পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২০১৭ সালে বাংলাদেশে এলজি অ্যাম্বাসেডর চ্যালেঞ্জ শুরু হওয়ার পর থেকে আমরা অসংখ্য সামাজিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পকে সহায়তা করেছি, যা সমাজে অর্থবহ ও দীর্ঘস্থায়ী ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করেছে।
প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধি সংহো চন আরও বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, “লাইফ ইজ গুড” শুধু একটি ব্র্যান্ড প্রতিশ্রুতি নয়; এটি মানুষের জীবনকে আরও ভালো করার প্রতি আমাদের অঙ্গীকারের প্রতিফলন। ভবিষ্যতেও এমন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে এলজি-র এই সহায়তা অব্যাহত থাকবে।








