এয়ার নিউজিল্যান্ডের বড় লোকসান, কর-পূর্ব ঘাটতি ৩৩৬ মিলিয়ন
৩০ জুন শেষ হওয়া ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের আর্থিক লোকসানের মুখে পড়েছে এয়ার নিউজিল্যান্ড। কর-পূর্ব লোকসান দাঁড়িয়েছে ৩৩৬ মিলিয়ন নিউজিল্যান্ড ডলারে। ২০২২ সালের পর এটি তাদের প্রথম বার্ষিক লোকসান।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

৩০ জুন শেষ হওয়া ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের আর্থিক লোকসানের মুখে পড়েছে নিউজিল্যান্ডের জাতীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থা এয়ার নিউজিল্যান্ড। এই অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটির কর-পূর্ব লোকসান দাঁড়িয়েছে ৩৩৬ মিলিয়ন নিউজিল্যান্ড ডলারে। অথচ এর আগের অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটি ১৬৪ মিলিয়ন নিউজিল্যান্ড ডলার কর-পূর্ব মুনাফা অর্জন করেছিল। ২০২২ সালের পর এটিই এয়ার নিউজিল্যান্ডের প্রথম বার্ষিক লোকসান হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
নিউজিল্যান্ডভিত্তিক এই বিমান সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক চ্যালেঞ্জের কারণে তাদের আর্থিক ফলাফল এই নেতিবাচক পরিস্থিতির শিকার হয়েছে। বিশেষ করে উড়োজাহাজের ইঞ্জিনসংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যার কারণে কোম্পানির ওপর আর্থিক চাপ তৈরি হয়েছে। এই ইঞ্জিনসংক্রান্ত সমস্যার কারণে কোম্পানির আর্থিক প্রভাব প্রায় ১৯০ মিলিয়ন নিউজিল্যান্ড ডলার পর্যন্ত পৌঁছেছে বলে জানা গেছে।
ইঞ্জিনসংক্রান্ত জটিলতার পাশাপাশি রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় এবং জ্বালানির উচ্চমূল্যও এয়ার নিউজিল্যান্ডের আর্থিক অবস্থাকে নাজুক করে তুলেছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আলোচ্য অর্থবছরে কোম্পানির জ্বালানি ব্যয় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়ে গেছে এবং এর আর্থিক পরিমাণ প্রায় ২০৫ মিলিয়ন নিউজিল্যান্ড ডলার। জ্বালানি খাতের এই অতিরিক্ত ব্যয় কোম্পানির সামগ্রিক লোকসান বাড়াতে প্রধান ভূমিকা রেখেছে।
কোম্পানির দৈনন্দিন কার্যক্রমে উড়োজাহাজের রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনায় ছিল। ইঞ্জিনসংক্রান্ত ত্রুটির কারণে নির্ধারিত সময়ে বিমান চলাচল ব্যাহত হওয়া এবং সেগুলো ঠিক রাখতে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করাটা এয়ার নিউজিল্যান্ডের জন্য একটি বড় সংকট তৈরি করেছে। এর ফলে মুনাফার ধারা থেকে ছিটকে পড়ে প্রতিষ্ঠানটি বিশাল অঙ্কের ঘাটতির মুখোমুখি হয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগে ২০২২ সাল পর্যন্ত নানা প্রতিকূলতার পরও এয়ার নিউজিল্যান্ড ইতিবাচক মুনাফার ধারা বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছিল। কিন্তু ২০২৬ অর্থবছরের হিসাব সমাপনীতে এসে সেই ধারাবাহিকতা রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। বর্তমান অর্থবছরে ৩৩৬ মিলিয়ন নিউজিল্যান্ড ডলারের এই বিশাল কর-পূর্ব লোকসান কোম্পানিটির ইতিহাসে একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা দিয়েছে।








