এনসিপি ও জামায়াত প্রসঙ্গে যা বললেন মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক কার্যক্রম এবং বিভিন্ন নেতার কর্মকাণ্ড নিয়ে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর সহকারী (রাজনৈতিক) মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, সরকারি দলের ছয় মাসের মূল্যায়নের পাশাপাশি বিরোধী দলেরও ছয় মাসের মূল্যায়ন হওয়া উচিত।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৭ আগস্ট ২০২৬, সকাল ৭:১৭· ১ মিনিট পড়া

বাংলাদেশে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিভিন্ন দল ও সংগঠনের কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা চলছে। এর মধ্যেই জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও কথিত অপকর্ম নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর সহকারী (রাজনৈতিক) মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন। ২৫ আগস্ট ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশে এই রাজনৈতিক মন্তব্যগুলো সামনে আসে।
মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন তাঁর বক্তব্যে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীদের ভূমিকা নিয়ে কথা বলেন। গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর সহকারী (রাজনৈতিক) হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন বলেন, মনে হচ্ছে সরকারি দল থেকে বিরোধীদলে যাওয়ার পরে এনসিপির নেতাকর্মীরা আর অপকর্ম করার সুযোগ পাচ্ছে না, যখনতখন সচিবালয়ে কিংবা সচিবের রুমে ঢুকে যাচ্ছেতাইও করা যাচ্ছে না।
তিনি আরও যোগ করেন, এক্ষেত্রে সুযোগের অভাবে তাদের সৎ মনে হচ্ছে। এটা অবশ্যই একপ্রকার ভালো। এনসিপি ছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং তাদের ছাত্র সংগঠন শিবির সম্পর্কেও নিজের মতামত তুলে ধরেন এই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।
জামায়াত ও শিবির প্রসঙ্গে মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন মন্তব্য করে জানান যে, তবে জামায়াত-শিবিরের ক্ষেত্রে ভিন্ন মনে হচ্ছে। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বিভিন্ন দলের ভূমিকা নিয়ে এই পর্যবেক্ষণগুলো বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে দেশের স্বার্থে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, শুধু এতোটুকুই বলবো, সবার সহনশীল হওয়া উচিত। সবাই মিলে দেশটাকে এগিয়ে নিতে হবে।
দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় তিনি একটি সুনির্দিষ্ট মূল্যায়নের প্রস্তাব দেন। মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন আরও বলেন, সরকারি দলের ৬ মাসের মূল্যায়নের পাশাপাশি, বিরোধীদলেও ৬ মাসের মূল্যায়নের মাধ্যমে দেশে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা সৃষ্টি হোক। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও বিভিন্ন দলের কার্যক্রমের প্রেক্ষাপটে তাঁর এই বক্তব্য দেশের রাজনৈতিক মহলে আলোচিত হচ্ছে।








