এনভিডিয়ার ডিএলএসএস ৫ প্রযুক্তি নিয়ে এল এনবিএ টু কে ২৭
এনভিডিয়ার নতুন ডিএলএসএস ৫ এআই আপস্কেলিং প্রযুক্তি নিয়ে বাজারে এসেছে এনবিএ টু কে ২৭। প্রথম গেম হিসেবে এতে এই প্রযুক্তি যুক্ত হয়েছে। তবে পরীক্ষা করে দেখা গেছে, এটি ফ্রেম রেট কমানোর পাশাপাশি বিদ্যুৎ খরচ বাড়িয়ে দেয়।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

প্রযুক্তির বাজারে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়ে বাজারে এসেছে বহুল প্রতীक्षित এনবিএ টু কে ২৭। গেমটি তৈরি করেছে টু কে গেমস। এটি বিশ্বের প্রথম গেম যা এনভিডিয়ার ডিএলএসএস ৫ এআই আপস্কেলিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে। আধুনিক গেমিং দুনিয়ায় গ্রাফিকস ও ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতা উন্নত করার ক্ষেত্রে এটি একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
নতুন এই ডিএলএসএস ৫ প্রযুক্তির ফলে গেমটির ভেতরে খেলোয়াড় ও দর্শকদের মডেলে নতুন খুঁটিনাটি ও বিস্তারিত যোগ হয়েছে। এর মাধ্যমে খেলোয়াড়দের ত্বকে আরও বেশি টেক্সচার বা বুনন এবং কিছুটা হলেও বাস্তবসম্মত ছায়া দেখতে পাওয়া যায়। সব মিলিয়ে গেমের ভেতরের পরিবেশ আগের তুলনায় আরও জীবন্ত হয়ে ওঠে।
তবে এই উন্নত ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতা পেতে ব্যবহারকারীদের হার্ডওয়্যারের ওপর বড় ধরনের প্রভাব পড়ছে। একটি পরীক্ষায় আরটিএক্স ৫০৯০ জিপিইউ ব্যবহার করে ৪কে রেজুলেশনে এনবিএ টু কে ২৭ গেমটি চালানো হয়। সেখানে দেখা গেছে, ডিএলএসএস ৫ প্রযুক্তি চালুর ফলে গেমটির ফ্রেম রেট ২৪০এফপিএস থেকে কমে ১৫০এফপিএসে নেমে এসেছে।
ফ্রেম রেট কমার পাশাপাশি বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণও নাটকীয়ভাবে বেড়ে গেছে। পরীক্ষাটিতে দেখা গেছে, ডিএলএসএস ৫ ছাড়া আরটিএক্স ৫০৯০ জিপিইউ সাধারণত প্রায় ৪০০ ওয়াট বিদ্যুৎ খরচ করত। কিন্তু যখনই এই প্রযুক্তি চালু করা হলো, তখন বিদ্যুৎ খরচ তাৎক্ষণিকভাবে বেড়ে ৫২৫ ওয়াটে গিয়ে পৌঁছাল।
শুধু এই পরীক্ষাই নয়, হার্ডওসিপি ফোরামের একজন সদস্য জানিয়েছেন যে, এনবিএ টু কে ২৭ গেমে ডিএলএসএস ৫ ব্যবহারের সময় তাদের আরটিএক্স ৫০৯০ জিপিইউ ৬০০ওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ টেনেছে। ফলে প্রযুক্তির কার্যকারিতার পাশাপাশি বিদ্যুৎ খরচের বিষয়টিও ব্যবহারকারীদের ভাবিয়ে তুলেছে।
ইতিবাচক দিক হলো, এই প্রযুক্তি শুধু নতুন প্রজন্মের হার্ডওয়্যারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। এনভিডিয়া ঘোষণা করেছে যে, আরটিএক্স ৫০০০ হার্ডওয়্যারের পাশাপাশি ভবিষ্যতে ডিএলএসএস ৫ প্রযুক্তিটি তাদের আগের প্রজন্মের আরটিএক্স ৪০০০ জিপিইউগুলোতেও সমর্থন করবে।
এদিকে এনভিডিয়ার এই নতুন প্রযুক্তির প্রতি বড় বড় গেম নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর আগ্রহও লক্ষ্য করা গেছে। ক্যাপকম, টেনসেন্ট এবং ইউবিসফট ইতিমধ্যেই তাদের ভবিষ্যতের গেমগুলোতে ডিএলএসএস ৫ প্রযুক্তি সমর্থন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এর ফলে আগামী দিনে আরও অনেক গেমে এই প্রযুক্তির ব্যবহার দেখা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।








