এনবিআরের সাড়ে ৩ কোটি টাকার অতিরিক্ত সুদ দাবি পূবালী ব্যাংকের আপত্তি
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেলের (সিআইসি) ভ্যাট দাবির বিপরীতে প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকার অতিরিক্ত সুদ অযৌক্তিক বলে জানিয়েছে পূবালী ব্যাংক পিএলসি। এই বিষয়ে এনবিআরের ভ্যাট নীতি সদস্যের কাছে চিঠি পাঠিয়ে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানিয়েছে ব্যাংকটি।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

রাজধানী ঢাকায় পূবালী ব্যাংক পিএলসি ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) মধ্যে ভ্যাট সংক্রান্ত একটি আর্থিক বিরোধের সৃষ্টি হয়েছে। এনবিআরের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল বা সিআইসির একটি audits বা নিরীক্ষার পর পূবালী ব্যাংকের কাছে এই অতিরিক্ত সুদের দাবি করা হয়।
ঘটনার সূত্রপাত ঘটে ২০১৭ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত সময়ের একটি ভ্যাট সংগ্রহকে কেন্দ্র করে। এই নির্দিষ্ট সময়ে অ-আবাসিক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে সংগৃহীত ভ্যাটের বিপরীতে ব্যাংকটি ই-চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে ২ কোটি ৬৯ লাখ ৮৩ হাজার ৭৯৯ টাকা পরিশোধ করেছিল।
সিআইসির নিরীক্ষার পর পূবালী ব্যাংক ওই অর্থ যথাযথভাবে পরিশোধ করলেও পরবর্তীতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের পক্ষ থেকে এর ওপর প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকার অতিরিক্ত সুদ দাবি করা হয়। এই দাবির পরিমাণ নিয়ে ব্যাংকটির মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়।
এনবিআরের পক্ষ থেকে দাবি করা এই অতিরিক্ত সুদের হিসাবটি ৯৬ মাস বা ৮ বছরের দীর্ঘ সময় জুড়ে টানা হয়েছে। মূলত এই দীর্ঘ মেয়াদের সুদের অঙ্কটি ব্যাংকের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট ভ্যাটের ওপর দাবি করা সুদের পরিমাণ ৩ কোটি ২২ লাখ ৮৬ হাজার ৪৮০ টাকায় গিয়ে ঠেকেছে। ব্যাংকিং খাতের প্রচলিত নিয়ম ও এই ধরনের রাজস্ব বিরোধে সাধারণত সর্বোচ্চ ২৪ মাসের সুদ প্রযোজ্য হওয়ার কথা থাকলেও এখানে পুরো ৮ বছরের হিসাব ধরা হয়েছে।
এই অতিরিক্ত ও অযৌক্তিক সুদ দাবির বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আপত্তি জানিয়েছে পূবালী ব্যাংক পিএলসি। ব্যাংকটির পক্ষ থেকে সম্প্রতি এনবিআরের ভ্যাট নীতি (VAT Policy) বরাবর একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হয়েছে।
উক্ত চিঠিতে ব্যাংকটি ভ্যাটের ওপর আরোপিত এই অতিরিক্ত সুদ মওকুফ বা বিষয়টি পুনরায় বিবেচনা করার জন্য জোরালো অনুরোধ জানিয়েছে। ২০২৩ সালের ২২ আগস্ট তারিখে এই ঘটনা সংশ্লিষ্ট তথ্য ও প্রেক্ষাপট সামনে আসে।








