এআইইউবিতে তিন দিনব্যাপী অ্যানিমেশন ও ডিজিটাল শিল্প প্রদর্শনী শুরু
আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশে (এআইইউবি) তিন দিনব্যাপী অ্যানিমেশন, এআর ও ডিজিটাল শিল্প প্রদর্শনী শুরু হয়েছে। গত ২৩ আগস্ট ক্যাম্পাসে এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ফিলিপাইনের রাষ্ট্রদূত নিনা পি. কেইংলেট।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

রাজধানীর আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশে (এআইইউবি) তিন দিনব্যাপী অ্যানিমেশন, অগমেন্টেড রিয়েলিটি (এআর) ও ডিজিটাল শিল্প প্রদর্শনী আনুষ্ঠানিকভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তির নানা দিক তুলে ধরার এই আয়োজনটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শুরু হয় গত ২৩ আগস্ট। দেশের শিক্ষাঙ্গনে ডিজিটাল শিল্প ও অ্যানিমেশনের বিস্তার ঘটাতে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানের প্রথম দিনেই ক্যাম্পাসে এক বর্ণাঢ্য উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই প্রদর্শনী ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ফিলিপাইনের রাষ্ট্রদূত নিনা পি. কেইংলেট। তার উপস্থিতি অনুষ্ঠানটিকে এক ভিন্ন মাত্রা দেয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত নিনা পি. কেইংলেট বলেন, "বিশ্ব অ্যানিমেশন শিল্পে ফিলিপাইনের উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। বিশেষ করে ডিজিটাল ও ইন্টারঅ্যাকটিভ গণমাধ্যমের ক্ষেত্রে দেশটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অ্যানিমেশনকেন্দ্র হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে।" তার এই বক্তব্যে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অ্যানিমেশন শিল্পের গুরুত্ব ও ফিলিপাইনের সাফল্যের চিত্র ফুটে ওঠে।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গও তাদের মূল্যবান মতামত তুলে ধরেন। ড. হাসানুল এ. হাসান তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, "পরিবর্তনশীল বিশ্বে শিক্ষার্থীদের নতুন ও উদীয়মান বিষয় সম্পর্কে জ্ঞান অর্জনের সুযোগ দিতে হবে।" যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য শিক্ষার্থীদের আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষায় পারদর্শী করে তোলার ওপর তিনি বিশেষ জোর দেন।
অন্যদিকে, প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে জানাতে গিয়ে ড. কারমেন জেড. লামাগনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘোষণা দেন। তিনি জানান যে, "এআইইউবি অ্যানিমেশনকেন্দ্রিক একটি নতুন অ্যাকাডেমিক বিভাগ চালুর উদ্যোগ নিচ্ছে।" এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের উচ্চশিক্ষায় অ্যানিমেশন খাত আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য যে, এই তিন দিনব্যাপী প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করেন ড. কারমেন জেড. লামাগনা, অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. তাজুল ইসলাম, রানি এলেন ভি. রামোস এবং অধ্যাপক ড. প্রদীপ কুমার পান্ডে। তাদের উপস্থিতি পুরো আয়োজনের গুরুত্বকে আরও বাড়িয়ে তোলে।
সার্বিকভাবে, ২৩ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া এই প্রদর্শনীটি শিক্ষার্থী ও শিল্পসংশ্লিষ্টদের মাঝে দারুণ উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে। অ্যানিমেশন, এআর এবং ডিজিটাল শিল্পের আধুনিক রূপ ও এর অপার সম্ভাবনাকে সকলের সামনে তুলে ধরতে এই আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের এমন সময়োপযোগী পদক্ষেপে শিক্ষার্থীরাও নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচনে উৎসাহিত হচ্ছেন।








