ইরানি সেনাবাহিনীর নতুন কৌশল ও মার্কিন সেনা ধরতে পুরস্কার ঘোষণা
ইরানি সেনাবাহিনী তাদের সামরিক কৌশলে বড় ধরনের পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে। একই সঙ্গে মার্কিন সেনাসদস্যদের হত্যা বা বন্দी করার জন্য আর্থিক পুরস্কারের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

ইরানি সেনাবাহিনী তাদের সামরিক কৌশলে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের কথা ঘোষণা করেছে। ২২ আগস্ট আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সির খবরে এই তথ্য জানানো হয়। কৌশলগত এই পরিবর্তনের অংশ হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে নতুন পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে দেশটি।
এই নতুন কৌশলের অংশ হিসেবে মার্কিন সেনাসদস্যদের হত্যা বা বন্দী করার জন্য বিশেষ পুরস্কারের পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়েছে। ইরানি সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। তবে এই পরিকল্পনার বাস্তবায়ন ও এর পেছনের প্রেক্ষাপট নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।
ঘোষিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, কোনো মার্কিন সেনাকে হত্যা বা বন্দী করার জন্য সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য বা বৈধ শিকারি অস্ত্রের মালিক নাগরিকদের ৫ বিলিয়ন তোমান পুরস্কার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রայ বা বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী ৫ বিলিয়ন তোমানের সমপরিমাণ মার্কিন ডলার প্রায় ২৬ হাজার ডলার।
এ ছাড়া এই পুরস্কারের ক্ষেত্রে বিশেষ মানদণ্ডের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। কোনো নারী মার্কিন সেনা হত্যা বা বন্দী করলে তার জন্য ১০ বিলিয়ন তোমান পুরস্কার নির্ধারণ করা হয়েছে। এই অঙ্কটি প্রায় ৫৩ হাজার মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ।
ইরানি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া দেশটির সামরিক কৌশলে পরিবর্তনের এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি এই নতুন সামরিক পরিকল্পনা ও পুরস্কারের ঘোষণাটি জনসমক্ষে তুলে ধরেন। আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই ঘোষণা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
ইরানের এই সামরিক নীতি পরিবর্তন এবং মার্কিন সেনাদের বিরুদ্ধে পুরস্কার ঘোষণার বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন দেশ ও সংস্থা পর্যবেক্ষণ করছে। বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো এই ঘোষণা খতিয়ে দেখছে। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনার সৃষ্টি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।








