ই-রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করল এনবিআর
২০২৬-২০২৭ করবর্ষে সব স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার জন্য অনলাইনে আয়কর রিটার্ন (ই-রিটার্ন) দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ২৬ আগস্ট ২০২৬ তারিখে এসংক্রান্ত নির্দেশিকা প্রকাশ করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) পক্ষ থেকে ২০২৬-২০২৭ করবর্ষে সব স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার জন্য অনলাইনে আয়কর রিটার্ন বা ই-রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ২৬ আগস্ট ২০২৬ তারিখে একটি নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে এনবিআর। এর মাধ্যমে দেশের করদাতাদের অনলাইনে রিটার্ন দাখলে আরও উৎসাহিত ও বাধ্যবাধকতার আওতায় আনা হয়েছে।
প্রকাশিত নির্দেশিকা অনুযায়ী, করদাতাদের জন্য সময়মতো রিটার্ন জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ প্রণোদনার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অর্থাৎ ১ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অনলাইনে রিটার্ন জমা দিলে করদাতারা বিশেষ কর ছাড় বা প্রণোদনা লাভ করবেন। এই নিয়মে নিট প্রদেয় করের ৫ শতাংশ বা সর্বোচ্চ ২৫,০০০ টাকা পর্যন্ত কর ছাড় পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন জমা দেওয়া নিশ্চিত না করতে পারলে করদাতাদের অতিরিক্ত করের মুখোমুখি হতে হবে। নির্দেশিকা অনুযায়ী, নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পর অর্থাৎ ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মার্চ সময়ের মধ্যে রিটার্ন জমা দিলে নিট প্রদেয় করের ওপর অতিরিক্ত ২ শতাংশ কর দিতে হবে, যার পরিমাণ সর্বনিম্ন ৩,০০০ টাকা।
অন্যদিকে, ১ এপ্রিল থেকে ৩০ জুন সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করলে অতিরিক্ত করের হার আরও বাড়বে। এই সময়ে রিটার্ন জমা দিলে নিট প্রদেয় করের ওপর ৫ শতাংশ অতিরিক্ত কর প্রদেয় হবে, যেখানে সর্বনিম্ন করের পরিমাণ ধরা হয়েছে ৫,০০০ টাকা।
সার্বিকভাবে, ২০২৬-২০২৭ করবর্ষে স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতাদের কর ব্যবস্থাপনাকে আরও ডিজিটালাইজড ও সময়োপযোগী করতে এই পদক্ষেপ নিয়েছে এনবিআর। এর ফলে সঠিক সময়ে ই-রিটার্ন দাখিল যেমন উৎসাহিত হবে, তেমনি নির্দিষ্ট সময়ের পর বিলম্বের জন্য অতিরিক্ত করের বিধানও কার্যকর থাকবে।








