আমেরিকা ও ভারতের জ্বালানি আমদানিতে তুর্কিয়ে নতুন রেকর্ড
রাশিয়া থেকে কাঁচা তেল আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়েছে তুর্কিয়ে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত থেকে তেল ও ডিজেল আমদানি বাড়িয়েছে দেশটি। গত জুন মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়াকে ছাড়িয়ে তুর্কিয়েতে প্রধান কাঁচা তেল সরবরাহকারীতে পরিণত হয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

রাশিয়া থেকে কাঁচা তেল ও ডিজেল আমদানি কমিয়ে দিয়েছে তুর্কিয়ে। এর বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত থেকে জ্বালানি আমদানির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে। তুর্কি কাস্টমস এবং জ্বালানি অ্যানালিটিক্স ফার্ম কেপলারের তথ্যে এই চিত্র উঠে এসেছে।
তুর্কি কাস্টমসের তথ্য অনুযায়ী, গত জুন মাসে যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়াকে পেছনে ফেলে তুর্কিয়ের প্রধান কাঁচা তেল সরবরাহকারীতে পরিণত হয়েছে। এই পরিবর্তনের ফলে জ্বালানি বাণিজ্যেরল ১নকশায় নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে।
পরিসংখ্যান বলছে, গত জুন মাসে রাশিয়া থেকে ৪ লাখ ২৫ হাজার টন তেল আমদানি করেছিল তুর্কিয়ে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানির পরিমাণ ছিল প্রায় ৫ লাখ ৭০ হাজার টন।
শুধু কাঁচা তেল নয়, ডিজেল আমদানির ক্ষেত্রেও রাশিয়া বাদে অন্যান্য দেশের ওপর নির্ভরতা বাড়িয়েছে তুর্কিয়ে। দেশটি যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত থেকে ডিজেল আমদানির পরিমাণও বাড়িয়েছে।
জ্বালানি অ্যানালিটিক্স ফার্ম কেপলারের তথ্য অনুসারে, গত আগস্ট মাস থেকে তুর্কিয়ে ভারত থেকে প্রতিদিন ১ লাখ ২০ হাজার ব্যারেলের বেশি ভারতীয় তৈরি ডিজেল আমদানি করেছে।
একইভাবে আগস্ট মাস থেকে যুক্তরাষ্ট্র থেকেও ডিজেলের আমদানি বাড়ানো হয়েছে। এই সময়ে তুর্কিয়ে প্রতিদিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৯০০০০ ব্যারেল ডিজেল আমদানি করেছে।
কেপলারের তথ্য সংগ্রহ শুরু হওয়ার পর ২০১৭ সাল থেকে এটি একটি রেকর্ড উচ্চতা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। রাশিয়া থেকে আমদানি কমানোর এই প্রবণতা ও বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহ তুর্কিয়ের জ্বালানি নীতির নতুন গতিপথ নির্দেশ করছে।








