আন্তর্জাতিক বাজারে তিন মাসের সর্বোচ্চে ওঠার পর কমল সোনার দাম
আন্তর্জাতিক বাজারে তিন মাসেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছানোর পর কিছুটা পতন ঘটেছে সোনার দামে। শক্তিশালী প্রতিরোধের মুখে পড়ে বিনিয়োগকারীদের একাংশ মুনাফা তুলে নেওয়ায় দাম কমেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

আন্তর্জাতিক বাজারে তিন মাসেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছানোর পর সোনার দামে কিছুটা পতন লক্ষ্য করা গেছে। ২৫ আগস্ট ২০২৬ তারিখের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার দিনের শুরুতে বিশ্ববাজারে মূল্যবান এই ধাতুর দাম তিন মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে উঠেছিল।
তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার দিনের শুরুতে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম ৪ হাজার ৬৯৬ দশমিক ১৮ ডলারে পৌঁছেছিল। তবে এর পরপরই বাজারে কিছুটা পতন শুরু হয়।
মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টা ৩৪ মিনিটে বিশ্ববাজারে স্পট গোল্ডের দাম ০ দশমিক ৬ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৬২২ দশমিক ০১ ডলারে নেমে আসে। এছাড়া একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সোনার ফিউচারসের দাম দাঁড়িয়েছিল প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৬৭৮ দশমিক ১০ ডলার।
সোনার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামেও নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। এই পতনের বাজারে স্পট রুপার দাম ১ দশমিক ৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৬৭ দশমিক ৭৬ ডলারে নেমে এসেছে।
পাশাপাশি অন্যান্য ধাতুগুলোর মধ্যে প্লাটিনামের দাম ২ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ১ হাজার ৮৩৭ দশমিক ৯৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া প্যালাডিয়ামের দাম ২ দশমিক ৮ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ১ হাজার ৩১৯ দশমিক ৫০ ডলারে নেমেছে।
এই দামের ওঠানামার বিষয়ে টিডি সিকিউরিটিজের বার্ট মেলেক বলেন, এটি মূলত বাজারের গতিশীলতায় সাময়িক পতন। ৪ হাজার ৭০০ ডলারের কাছাকাছি দাম পৌঁছানোয় শক্তিশালী প্রতিরোধের মুখে পড়েছে সোনা। ফলে বিনিয়োগকারীদের একাংশ মুনাফা তুলে নেওয়ায় দাম কিছুটা কমেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
এদিকে বাজারের বিনিয়োগকারী ও বিশ্লেষকরা এখন পরবর্তী অর্থনৈতিক তথ্যের অপেক্ষায় রয়েছেন। আগামী বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের জুলাই মাসের পার্সোনাল কনজাম্পশন এক্সপেন্ডিচার্স বা পিসিই মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশিত হতে যাচ্ছে, যা বাজারের পরবর্তী গতিপ্রকৃতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।








