আন্তর্জাতিক বাজারে কমল স্বর্ণের দাম
বিশ্ববাজারে কমেছে সোনার দাম। শুক্রবার সকালে স্পট গোল্ডের দাম কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৫৭৬ দশমিক ৩০ ডলারে নেমে এসেছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে কিছুটা পতন লক্ষ্য করা গেছে। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকালে বিশ্ববাজারে স্পট গোল্ডের দাম ০.৫ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৫৭৬ দশমিক ৩০ ডলারে নেমে আসে। বৈশ্বিক এই বাজারদਰের প্রভাব স্থানীয় মুদ্রায় হিসাব করলে প্রতি আউন্সে দাঁড়ায় প্রায় ৫ লাখ ৬৩ হাজার টাকা।
একইভাবে বিশ্ববাজারে মার্কিন গোল্ড ফিউচারসের দামও হ্রাস পেয়েছে। মার্কিন গোল্ড ফিউচারসের দাম ০.৮ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৬২৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারের এই হিসাবে প্রতি গ্রাম সোনার দাম প্রায় ১৮ হাজার ১০০ টাকা এবং প্রতি ভরি অর্থাৎ ১১.৬৬৪ গ্রাম সোনার দাম প্রায় ২ লাখ ১১ হাজার টাকা পড়ছে। এই হিসাবের ক্ষেত্রে এক ডলার সমান ১২২.৯৯৬ টাকা ধরা হয়েছে।
এদিকে অর্থনৈতিক বিভিন্ন সূচক ও মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেড বা ফেডারেল রিজার্ভের নীতি নিয়ে বাজারে আলোচনা চলছে। সম্প্রতি প্রকাশিত তথ্যে দেখা গেছে, জুলাই পর্যন্ত ১২ মাসে পিএসই বা PCE মূল্যসূচক ৩.৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
অর্থনৈতিক এই পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডের ভবিষ্যৎ সুদের হার নিয়ে নানা পূর্বাভাস পাওয়া যাচ্ছে। বর্তমানে সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে ৩৩.৯ শতাংশ। পাশাপাশি ডিসেম্বরের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার বাড়ার সম্ভাবনা আরও বেশি অর্থাৎ ৭৪ শতাংশ বলে বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই সম্ভাব্য নীতিগত পরিবর্তন নিয়ে স্টোনএএক্সের বিশ্লেষক ম্যাট সিম্পসন তার মতামত ব্যক্ত করেছেন। তিনি মনে করেন, কেভিন ওয়ারশের কঠোর বা 'হকিশ' নীতি নেওয়ার সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি।
বিশ্লেষক ম্যাট সিম্পসনের মতে, ফেডের পক্ষ থেকে এমন কঠোর নীতি নেওয়া হলে স্বল্পমেয়াদে সোনার দাম সাম্প্রতিক সর্বোচ্চ অবস্থান থেকে আরও নিচে নেমে যেতে পারে বা কমতে পারে।
বিশ্ববাজারের এই মূল্যপতন এবং ফেডের সম্ভাব্য মুদ্রানীতি নিয়ে ওওসিবিসি-র ক্রিস্টোফার ওয়ংয়ের মতো বাজার সংশ্লিষ্টদের নজর রয়েছে। মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুদ্রানীতি এবং মূল্যসূচকের গতিপ্রকৃতির ওপরই মূলত বৈশ্বিক বাজারে স্বর্ণের পরবর্তী গতিপথ নির্ভর করছে।








