আগামী বছর থেকে দেশব্যাপী স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চালু হবে
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আগামী বছর থেকে দেশব্যাপী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চালু করা হচ্ছে। এ ছাড়া ২০২৭ সাল থেকে চতুর্থ শ্রেণির পাঠ্যক্রমে দুটি নতুন বই যুক্ত করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

আগামী বছর থেকে দেশব্যাপী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চালু করা হবে। ১০ সেপ্টেম্বর ঢাকা পিটিআইয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। এ সময় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এবং ঢাকা বিভাগীয় উপপরিচালকের কার্যালয়, প্রাথমিক শিক্ষা-এর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তি ও কর্মকর্তাদের মধ্যে ছিলেন মো. আজমুল হক, শাহীনা ফেরদৌসী, মীর আব্দুল আউয়াল আল মেহেদী, মাহবুবা আইরিন এবং মো. আবদুল আজিজ। তাদের উপস্থিতিতে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ দেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করতে বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন।
স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চালুর পাশাপাশি পাঠ্যক্রমেও বড় পরিবর্তনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ২০২৭ সাল থেকে চতুর্থ শ্রেণির পাঠ্যক্রমে 'বাংলাদেশের সংস্কৃতি' ও 'খেলাধুলা' নামে দুটি নতুন বই যুক্ত করা হবে। শিক্ষার্থীদের সার্বিক বিকাশ ও পঠন-পাঠন আরও আনন্দদায়ক করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।
খাদ্য বিতরণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, 'প্রতিটি শিশুর প্রাপ্য খাবার যথাযথ মান ও পরিমাণে পৌঁছে দেওয়া এবং কর্মসূচির প্রতিটি ধাপে অনিয়ম-দুর্নীতি প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি থাকবে।'
শিশুদের বিদ্যালয়মুখী করা এবং তাদের প্রকৃত শিক্ষা নিশ্চিত করার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'আমরা শুধু স্কুলে শিশুদের উপস্থিতি চাই না, আমরা চাই প্রতিটি শিশু স্কুলে এসে শিখুক। একটি শিশুও যদি বিদ্যালয়ে গিয়ে না শেখে, তাহলে আমাদের সাফল্যের গল্প অসম্পূর্ণ থেকে যাবে।'
শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়ে ববি হাজ্জাজ আরও যোগ করেন, 'এখন থেকে প্রাথমিক শিক্ষার হিসাব হবে কতটি ভবন তৈরি হয়েছে তা দিয়ে নয়, কতটি শিশুর শেখা নিশ্চিত হয়েছে তা দিয়ে।' অনুষ্ঠানে জানানো হয় যে প্রাথমিক শিক্ষক এবং মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য যথাক্রমে সমন্বিত শিক্ষক নীতিমালা ও প্রশাসনিক নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে।








