আইফোন ১৮ সিরিজ: সম্ভাব্য দাম, ডিজাইন ও প্রযুক্তিগত তথ্য
প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপলের আসন্ন নতুন আইফোন মডেল নিয়ে বিশ্বজুড়ে চলছে জল্পনাকল্পনা। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতের চাহিদার কারণে আইফোন ১৮ প্রো মডেলের দাম ও উৎপাদনের খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

প্রযুক্তি বিশ্বে অ্যাপলের নতুন আইফোন উন্মোচন ও এ সম্পর্কিত জল্পনাকল্পনা সবসময়ই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে। ২০০৭ সালে প্রথম আইফোন বাজারে আনার পর থেকেই প্রতিবছর নতুন মডেল উন্মোচন করে আসছে মার্কিন প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপল। এরই ধারাবাহিকতায় সম্ভাব্য ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বিশ্বব্যাপী অ্যাপলের নতুন মডেলের আইফোন উন্মোচন করা হতে পারে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও বিশ্লেষকদের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
< প্রাপ্ত তথyl>আসন্ন এই নতুন সিরিজ নিয়ে রয়টার্স, ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল, নাইনটুফাইভম্যাক, দ্য বেল এবং ব্লুমবার্গের মতো আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও প্রযুক্তি বিষয়ক সাইটগুলোতে বিভিন্ন তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। এসব প্রতিবেদন এবং প্রযুক্তিবিশ্লেষক মার্ক গুরম্যানের তথ্যানুযায়ী, আসন্ন আইফোন ১৮ সিরিজের বিভিন্ন মডেলের হার্ডওয়্যার ও দামে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে।
প্রযুক্তি খাতের বর্তমান পরিস্থিতির কারণে উৎপাদন খরচ বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে বিপুল চাহিদার কারণে বর্তমানে বিশ্বজুড়ে র্যামের সরবরাহে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়তে পারে অ্যাপলের আসন্ন ডিভাইসে। তথ্য অনুযায়ী, আইফোন ১৮ প্রো-তে ব্যবহৃত মেমোরি চিপের খরচ আইফোন ১৭ প্রোর তুলনায় ১৫০ ডলার বেশি হতে পারে।
উৎপাদন খরচ বৃদ্ধির এই প্রভাব সরাসরি পড়তে পারে খুচরা মূল্যের ওপর। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন আইফোন ১৮ প্রো’র দাম ১ হাজার ৩৯৯ ডলার হতে পারে। সামগ্রिकভারে ফোনগুলোর দাম আগের সংস্করণের তুলনায় ২৫০ থেকে ৩০০ ডলার পর্যন্ত বাড়তে পারে। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে দাম ৩০০ ডলার পর্যন্ত বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
নতুন এই সিরিজের ফোনের ডিসপ্লে ও শারীরিক মাপেও পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে। সম্ভাব্য তথ্য অনুযায়ী, আইফোন ১৮ ও আইফোন ১৮ প্রোতে ৬ দশমিক ৩ ইঞ্চি পর্দা থাকতে পারে। অন্যদিকে, বড় স্ক্রিন পছন্দকারী ব্যবহারকারীদের জন্য আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সে ৬ দশমিক ৯ ইঞ্চির পর্দা থাকতে পারে।
পারফরম্যান্সের দিক থেকেও ডিভাইসগুলোতে বড় আপগ্রেড আসতে পারে। গুঞ্জন রয়েছে যে, অ্যাপল এই সিরিজের সব মডেলেই ১২ গিগাবাইট র্যাম ব্যবহার করতে পারে। অভ্যন্তরীণ এসব পরিবর্তনের পাশাপাশি ফোনটির বাহ্যিক মাপেও সামান্য তারতম্য দেখা যেতে পারে, যার ফলে ফোনটির পুরুত্ব প্রায় শূন্য দশমিক ২৫ মিলিমিটার এবং ওজন প্রায় ৭ গ্রাম বাড়তে পারে।
এদিকে অ্যাপলের করপোরেট কাঠামোর শীর্ষ পর্যায়েও পরিবর্তন আসছে। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে অ্যাপলের নতুন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে জন টার্নাসের দায়িত্ব আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে। নতুন এই নেতৃত্বের অধীনে অ্যাপলের পণ্য উন্মোচন ও প্রযুক্তি বাজার কেমন প্রভাবিত হয়, সেদিকেও নজর রয়েছে প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের।








