৪০০ মিলিয়ন ডলারে হিগসফিল্ডের সিরিজ বি তহবিল সংগ্রহ
৫ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার মূল্যায়নে ৪০০ মিলিয়ন ডলারের সিরিজ বি তহবিল সংগ্রহ করেছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিষ্ঠান হিগসফিল্ড। ডিএসটি গ্লোবালের নেতৃত্বে এই বিনিয়োগ রাউন্ড সম্পন্ন হয়েছে। কোম্পানিটি বর্তমানে ৭০ কোটি ডলার বার্ষিক আয়ের কথা জানিয়েছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১২· ১ মিনিট পড়া

প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই খাতের অগ্রগতিতে নতুন এক মাইলফলক অর্জিত হয়েছে। ৫ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার বা ৫৪০ কোটি ডলার মূল্যায়নে ৪০০ মিলিয়ন ডলারের একটি সিরিজ বি তহবিল সংগ্রহ করেছে ভিডিও এআই স্টার্টআপ হিগসফিল্ড। সোমবার প্রকাশিত তথ্যে এই বড় বিনিয়োগের খবর সামনে এসেছে।
সর্বশেষ এই তহবিল সংগ্রহের রাউন্ডটি পরিচালনা বা নেতৃত্ব দিয়েছে ডিএসটি গ্লোবাল। বিশেষভাবে লক্ষণীয় যে, এই নতুন অর্থায়ন রাউন্ডটি এর আগের ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার মূল্যায়নের ঠিক আট মাস পর সম্পন্ন হয়েছে, যা কোম্পানিটির অভূতপূর্ব ও দ্রুতগতির প্রবৃদ্ধির নির্দেশ করে।
হিগসফিল্ডের এই অসাধারণ সাফল্যের পেছনে রয়েছে এর প্রতিষ্ঠাতা ও অভিজ্ঞ নেতৃত্ব। স্ন্যাপ-এর সাবেক নির্বাহী অ্যালেক্স মাশরাবভ ২০২৩ সালে এই কোম্পানিটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তাঁর হাত ধরেই প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে বৈশ্বিক বাজারে নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে।
প্রতিষ্ঠার পর থেকেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ভিডিও তৈরির বাজারে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে হিগসফিল্ড। বর্তমান বাজার পরিস্থিতির তথ্য অনুযায়ী, কোম্পানিটি বর্তমানে ৭০ কোটি ডলারের বার্ষিক আয়ের মুখ দেখেছে। পাশাপাশি, বিশ্বের ২০০টি দেশে তাদের ব্যবহারকারীর সংখ্যা এখন ৩ কোটিতে পৌঁছেছে।
প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান নির্বাহী অ্যালেক্স মাশরাবভ এই খাতের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে আলোকপাত করেছেন। তাঁর মতে, এআই ভিডিওর ক্ষেত্রে এন্টারপ্রাইজ বা প্রাতিষ্ঠানিক গ্রহণ ভবিষ্যতে আরও বেশি গভীর হবে এবং তা প্রতিদিনের বিপণন ও সৃজনশীল কাজের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে যাবে।
ভিডিও প্রযুক্তির কারিগরি জটিলতা এবং বিশাল চাহিদার কথা বলতে গিয়ে অ্যালেক্স মাশরাবভ আরও উল্লেখ করেন যে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পুরো ক্ষেত্রের মধ্যে ভিডিও হলো অন্যতম একটি কম্পিউটেশন-ইনটেন্সিভ বা প্রসেসিংয়ের দিক থেকে সবচেয়ে বেশি সম্পদ-নির্ভর ডোমেন।
হিগসফিল্ডের এই সিরিজ বি তহবিল সংগ্রহ এবং তাদের অভাবনীয় আর্থিক প্রবৃদ্ধি বিশ্বজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রযুক্তির বাজারকে আরও বেগবান করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি অঙ্গনে বর্তমান বিনিয়োগের এই জোয়ার স্টার্টআপগুলোর জন্য নতুন দিগন্ত উন্মোচন করছে।








