১৯৯০ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি টেক্সাস থেকে পালিয়েছিলেন দুই কিশোর
১৯৯০ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি টেক্সাস থেকে পালিয়ে যান রেজিনা কে. ওয়াল্টার্স ও রিকি লি জোনস। পরবর্তীতে রেজিনার মরদেহ উদ্ধার করা হয় ইলিনয়ের শস্যাগার থেকে এবং এই হত্যার দায় স্বীকার করেন সিরিয়াল কিলার রবার্ট বেন রোডস।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

১৯৯০ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি রেজিনা কে. ওয়াল্টার্স এবং রিকি লি জোনস টেক্সাসের পাসাডেনা থেকে পালিয়ে যান। এই দুই কিশোরের পলায়ন পরবর্তীতে একটি মর্মান্তিক অপরাধের ঘটনার সূত্রপাত ঘটিয়েছিল, যা পুরো দেশকে নাড়া দিয়েছিল।
এই ঘটনার সাথে জড়িত ছিলেন রবার্ট বেন রোডস। তিনি একজন দূরপাল্লার ট্রাকচালক এবং সিরিয়াল কিলার ছিলেন, যিনি অপরাধজগতে 'ট্রাক স্টপ কিলার' নামে পরিচিত ছিলেন। তার ট্রাকের মাধ্যমেই অপরাধের এই নৃশংস অধ্যায় রচিত হয়েছিল।
পলায়নের পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও রেজিনা কে. ওয়াল্টার্সের কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। অবশেষে ১৯৯০ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর রেজিনা ওয়াল্টার্সের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ইলিনয়ের বন্ড কাউন্টির একটি পরিত্যক্ত শস্যাগার থেকে তার মরদেহটি পাওয়া যায়।
এই হত্যাকাণ্ডের তদন্তে পরবর্তীতে বড় ধরনের অগ্রগতি অর্জিত হয়। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া ও তদন্তের পর, ১৯৯২ সালের ১১ সেপ্টেম্বর রবার্ট বেন রোডস রেজিনা ওয়াল্টার্স হত্যার মামলায় আদালতে প্রথম-ডিগ্রি হত্যার দায় স্বীকার করেন।
এই ঘটনার নেপথ্যে ও তদন্ত প্রক্রিয়ায় আরও কিছু ব্যক্তির নাম সংশ্লিষ্ট রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছেন মাইক মিলার, প্যাট্রিসিয়া ক্যান্ডেস ওয়ালশ, ডগলাস জিসকোভস্কি এবং অ্যারিজোনা হাইওয়ে প্যাট্রোলের (Arizona Highway Patrol) কর্মকর্তারা। তবে প্রধান অপরাধী হিসেবে রবার্ট বেন রোডসের নামই এই মামলার কেন্দ্রে ছিল।
একজন দূরপাল্লার ট্রাকচালক কীভাবে এই ধরনের অপরাধ সংঘটিত করেছিলেন এবং কীভাবে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলো অপরাধীকে আইনের আওতায় এনেছিল, এই মামলার রায় তার একটি বড় প্রমাণ। ১৯৯২ সালের সেপ্টেম্বরে রোডসের দোষ স্বীকারের মধ্য দিয়ে এই মর্মান্তিক অধ্যায়ের আইনি পরিণতি নির্ধারিত হয়।








