১১ দলীয় ঐক্যের বৈঠক: ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ
২৩ আগস্ট বিরোধীদলীয় নেতার বাসায় ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান এমপি। আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চের সূচনা পর্বে রাজধানীতে জনসমাবেশ হবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

২৩ আগস্ট রাজধানী ঢাকায় বিরোধীদলীয় নেতার বাসভবনে ১১ দলীয় ঐক্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ কর্মসূচি নির্ধারণের উদ্দেশ্যে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকটি আহ্বান করা হয়। বৈঠকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন এবং দেশের সমসাময়িক নানা বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
উক্ত শীর্ষ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান এমপি। তাঁর পরিচালনায় বৈঠকে অংশগ্রহণকারী নেতারা ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের স্বার্থে বিভিন্ন নীতিনৈতিক ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। বৈঠকে আন্দোলন ও কর্মসূচির রূপরেখা নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় করা হয়।
বৈঠকে উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং দলীয় প্রধানদের মধ্যে ছিলেন নাহিদ ইসলাম এমপি, ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ, মাওলানা মামুনুল হক এবং ডা. মুস্তাফিজুর রহমান ইরান। এছাড়া বৈঠকে আরও অংশ নেন মিয়া গোলাম পরওয়ার, ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ ও আনোয়ারুল ইসলাম চান।
শীর্ষ এই বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন মাওলানা জালাল উদ্দিন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, নিজামুল হক নাঈম, মাওলানা আব্দুল কাইয়্যুম ও মুফতি ফখরুল ইসলাম। এছাড়াও অধ্যাপক ইকবাল হোসাইন, মো. নাজমুল ইসলাম তালুকদার এবং আব্দুল্লাহ আল মামুন রানাসহ ১১ দলীয় ঐক্যের বিভিন্ন শরিক দলের শীর্ষস্থানীয় নেতারা বৈঠকে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।
বৈঠক শেষে ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে একটি নতুন ও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চের কর্মসূচি বাস্তবায়িত হবে। এই লংমার্চের সূচনা পর্বে রাজধানী ঢাকায় একটি বড় জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
উল্লেখ্য যে, এই ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ কর্মসূচি এবং সমসাময়িক রাজনৈতিক নানা প্রক্রিয়ার সাথে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ লেবার পার্টি, জাগপা, এবি পার্টি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি, এনসিপি, নেজামে ইসলাম পার্টি ও বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন যুক্ত রয়েছে। বৈঠকে ৫ আগস্টের প্রেক্ষাপট, ১৮০ দিন বা ৬ মাসের সময়কাল এবং ভারত সরকার, বাংলাদেশ সরকার ও শেখ হাসিনাকে ঘিরে বিভিন্ন বিষয় ও প্রাসঙ্গিক আলোচনাও উঠে আসে।








