হরিরামপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ও বিস্ফোরক উদ্ধার
মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে পদ্মা নদীতে চ্যানেল চার্জ আদায় নিয়ে মারধরের জেরে বিএনপির দুই গ্রুপ পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি পালন করেছে। এ সময় হরিরামপুর থানার পাশ থেকে পেট্রোল বোমার সরঞ্জাম ও পটকা বাজি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলায় পদ্মা নদীতে চ্যানেল চার্জ আদায় নিয়ে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপ পাল্টাপাল্টি অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে। ২৪ আগস্ট ২০২৬ তারিখে এই পাল্টাপাল্টি কর্মসূচির ঘটনা ঘটে।
ঘটনা সূত্রে জানা যায়, পদ্মা নদীতে চ্যানেল চার্জ আদায়কে কেন্দ্র করে পূর্বে মারধরের ঘটনা ঘটেছিল। এরই জেরে হরিরামপুর উপজেলায় বিএনপির দুটি পক্ষ মুখোমুখি অবস্থানে যায় এবং পৃথক কর্মসূচি পালন করে।
একটি পক্ষে ছিলেন ধুলশুরা ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি বিল্লাল খানের সমর্থক ও এলাকাবাসী। তারা এই ঘটনার প্রতিবাদে একটি ঝাড়ু মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।
উক্ত ঝাড়ু মিছিল ও মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী বিক্ষোভকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় তাদের মুখে “শাহীন মোল্লার দুই গালে জুতা মারো তালে তালে” স্লোগান শোনা যায়।
অপর পক্ষে, উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব মোল্লা শাহিনের নেতৃত্বে আরেকটি পক্ষ পৃথক অবস্থান কর্মসূচি পালন করে। এই দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অবস্থানের ফলে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করে।
এদিকে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যে হরিরামপুর থানার পাশ থেকে পুলিশ বিস্ফোরক উদ্ধার করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, থানার পাশ থেকে সলতা সহ চারটি কাচের বোতল (পেট্রোল বোমার সরঞ্জাম) ও একটি পটকা বাজি উদ্ধার করা হয়েছে।
এই পুরো পরিস্থিতি এবং বিরোধের বিষয়ে শফিক বিশ্বাস নামের এক ব্যক্তি মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, “এই মিছিলটা প্রশাসনের মধ্যে ঘাপটি মেরে বসে থাকা আওয়ামী লীগ যারা আছে তাদের থেকে হরিরামপুরকে মুক্ত করা। এটাই ছিল প্রতিপাদ্য বিষয়।”
বিরোধের অভ্যন্তরীণ কারণ সম্পর্কে শফিক বিশ্বাস আরও বলেন, “এগুলো সবই আছে, সামনে কমিটি হবে অনেক তারপরে এখানে পদ্মার বিষয় আছে এগুলোই হচ্ছে এই মূল কারণ।”








