স্মরণে আশা ভোসলে: জন্মদিনে কিংবদন্তি শিল্পীর অজানা অধ্যায়
৮ সেপ্টেম্বর ছিল কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী আশা ভোসলের জন্মদিন। ১৯৩৩ সালের এই দিনে মহারাষ্ট্রের সাংলিতে জন্মেছিলেন তিনি। গত ১২ এপ্রিল মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ৯২ বছর বয়সে মারা যান এই গুণী শিল্পী।
প্রকাশ: · আপডেট: ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বিকেল ৬:৪৬· ১ মিনিট পড়া

৮ সেপ্টেম্বর ছিল ভারতীয় উপমহাদেশের প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী আশা ভোসলের জন্মদিন। বিশেষ এই দিনটিতে সংগীতাঙ্গনের এই ক্ষণজন্মা তারকাকে নানা আয়োজনে স্মরণ করা হয়। ১৯৩৩ সালের এই দিনে মহারাষ্ট্রের সাংলিতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন আশা ভোসলে। দীর্ঘ সংগীতজীবনে তিনি তাঁর সুরের জাদুতে কোটি কোটি মানুষের হৃদয় জয় করেছিলেন।
তবে সংগীতাঙ্গনের অগণিত ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীদের জন্য এই জন্মদিনটি আসে গভীর শোকের ছায়ার মধ্য দিয়ে। গত ১২ এপ্রিল মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ৯২ বছর বয়সে মারা যান আশা ভোসলে। তাঁর এই প্রয়াণে সংগীতজগতে এক অপূরণীয় ক্ষতি সাধিত হয়, যা আজও কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়নি।
সংগীতের সোনালী যুগের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হিসেবে আশা ভোসলে কেবল ভারতেই নয়, বিশ্বজুড়ে সমাদৃত ছিলেন। তাঁর সুরেলা কণ্ঠ ও বৈচিত্র্যময় গায়কী প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে শ্রোতাদের মুগ্ধ করেছে। রোমান্স থেকে শুরু করে ক্লাসিক্যাল বা ছায়াছবির গান—সব ক্ষেত্রেই তিনি তাঁর অসাধারণ প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে গেছেন।
জীবদ্দশায় তিনি বহু কিংবদন্তি সুরকার ও গীতিকারের সঙ্গে কাজ করেছেন। তাঁর এই বর্ণাঢ্য সংগীতযাত্রায় সঙ্গী হয়েছিলেন লতা মঙ্গেশকর, রাহুল দেববর্মন, গুলজার, ও পি নাইয়ার, মোহাম্মদ জহুর খৈয়াম, মুজাফফর আলী, হৃদয়নাথ মঙ্গেশকর, এস ডি বর্মন, নূতন, মধুবালা, মদন মোহন, রবীন্দ্র জৈন, কিশোর কুমার ও রোশনের মতো নামী ব্যক্তিত্বরা।
তাঁর অসাধারণ অবদান সম্পর্কে প্রখ্যাত সুরকার রাহুল দেববর্মন এক সময় মূল্যাयन করে বলেছিলেন, 'আমার মতে, আশাকে দিয়ে যেকোনো গান গাওয়ানো যায়। কিন্তু কিছু গান আবার লতা ছাড়া হয় না!' এই মন্তব্যই প্রমাণ করে যে আশা ভোসলের কণ্ঠের বহুমুখিতা কতটা অনন্য ছিল।
প্রথম আলো, এএফপি, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের পাশাপাশি ফেসবুক ও এক্সের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাঁকে নিয়ে নানা স্মৃতিচারণা করা হয়। তাঁর ভক্ত ও অনুরাগীরা আজও তাঁর গাওয়া গানগুলোর মাধ্যমে তাঁকে পরম শ্রদ্ধায় স্মরণ করে চলেছেন।








