স্বর্গীয় আড্ডায় ছাইদানি ও ঐতিহাসিক অ্যাশেজের রোমাঞ্চকর গল্প
স্বর্গে কিংবদন্তি ক্রিকেটারদের এক কাল্পনিক ও কল্পনামূলক কথোপকথনে উঠে এসেছে ক্রিকেটের ঐতিহ্যবাহী সিরিজ অ্যাশেজের ইতিহাস। ১৮৮২ সালের ওভাল টেস্টের রোমাঞ্চকর স্মৃতিচারণ করেন ফ্রেড স্পফোর্থ ও ডব্লিউ জি গ্রেস।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে রোমাঞ্চকর ও ঐতিহ্যবাহী লড়াই অ্যাশেজ সিরিজ। এই সিরিজের পেছনের ইতিহাস নিয়ে স্বর্গে কিংবদন্তি ক্রিকেটারদের এক কাল্পনিক ও কল্পনামূলক কথোপকথন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বিশেষ আড্ডায় উপস্থিত ছিলেন ক্রিকেটের ইতিহাসের নানা মহাতারকা, যারা নিজেদের খেলার দিনের নানা স্মৃতি ও ঘটনার রোমন্থন করেন।
আড্ডার একপর্যায়ে আলফ্রেড শ ডন ব্র্যাডম্যানকে উদ্দেশ করে বলেন, ডন অ্যাশেজের গল্প শুনবে বলে অধীর অপেক্ষায় আছে এবং অন্যমনস্ক না হয়ে ফ্রেড স্পফোর্থকে অ্যাশেজের গল্প বলার অনুরোধ জানান। তখন ফ্রেড স্পফোর্থ আলোচনায় অংশ নেন এবং ১৮০২ সালের ওভালের সেই বিখ্যাত টেস্ট ম্যাচের স্মৃতিচারণ করেন।
ফ্রেড স্পফোর্থ স্মরণ করেন, ১৮৮২ সালে ওভালের ওই টেস্টে তারা, অর্থাৎ অস্ট্রেলিয়ানরা ৭ রানে জিতেছিল। সেই ম্যাচে মাত্র ৮৫ রানের টার্গেট তাড়া করতে গিয়ে ৭৭ রানেই অলআউট হয়ে গিয়েছিল শক্তিশালী ইংল্যান্ড দল। সে সময় ডব্লিউ জি গ্রেস একা হাতে ৩২ রান করেছিলেন বলেও উল্লেখ করা হয়।
কথোপকথনের সময় ফ্রেড স্পফোর্থ ডন ব্র্যাডম্যানকে প্রশ্ন করেন, তুমি কি রেজিনাল্ড ব্রুকসের নাম শুনেছ? জবাবে ডন ব্র্যাডম্যান বলেন, না তো, এই নামে কোনো ক্রিকেটারের কথা তো শুনিনি। তখন স্পফোর্থ স্পষ্ট করেন যে তিনি কোনো ক্রিকেটারের কথা বলেননি, বরং যে অ্যাশেজ নিয়ে ডনের এত আগ্রহ, সেটি মূলত ওই ব্রুকসের কারণেই হয়েছে।
এই আলোচনার মধ্যেই ডব্লিউ জি গ্রেস রসিকতা করে ফ্রেড স্পফোর্থকে বলেন, অজুহাত দিয়ো না। তিনি অমন না করলেও স্পফোর্থ ডাকই মারতেন এবং প্রশ্ন করেন যে তিনি আদاص ব্যাটিং পারতেন নাকি। এই কথায় ক্ষুব্ধ হয়ে স্পফোর্থ পাল্টা জবাব দিয়ে বলেন, কী বললে? তুমি জানো, টেস্টে আমার ফিফটি আছে? টেস্টে ১১ নম্বর ব্যাটসম্যানের প্রথম ফিফটি ওটি ছিল এবং পরের ২১ বছর সেটি একমাত্রও হয়ে ছিল।
এভাবেই স্বর্গের এই কল্পিত ও নান্দনিক আড্ডায় উঠে আসে ক্রিকেটের শুরুর দিকের নানা অজানা ও রোমাঞ্চকর অধ্যায়। কিংবদন্তিদের এই আলোচনায় অ্যাশেজের উৎপত্তি এবং অতীতের সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তগুলো যেন জীবন্ত হয়ে ওঠে ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে।








