স্পিড পোস্টে দুই মাসে ৪০০ টন পণ্য পরিবহন করল ডাক বিভাগ
ডাক বিভাগের স্পিড পোস্ট সেবার মাধ্যমে বিভিন্ন বৈধ পণ্য ও আসবাবপত্র পরিবহন করা হচ্ছে। গত দুই মাসে এই সেবার মাধ্যমে প্রায় ৪০০ টন পণ্য পরিবহন করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এই সেবার পরিধি আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

ঢাকায় ডাক অধিদপ্তরের স্পিড পোস্ট সার্ভিসের মাধ্যমে বর্তমানে মোটরসাইকেল, ফ্রিজ, আসবাবপত্র, ইলেকট্রনিক্স পণ্যসহ বিভিন্ন বৈধ সামগ্রী পাঠানো যাচ্ছে। আধুনিক ও যুগোপযোগী এই সেবার আওতায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতে নানা ধরনের পণ্য পরিবহন করা হচ্ছে।
ডাক বিভাগের এই স্পিড পোস্ট সেবার মাধ্যমে পণ্য পরিবহনে অসাধারণ সাড়া মিলেছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত দুই মাসে স্পিড পোস্টের মাধ্যমে মোট প্রায় ৪০০ টন পণ্য পরিবহন হয়েছে, যা এই সেবার প্রতি মানুষের ক্রমবর্ধমান আস্থারই বহিঃপ্রকাশ।
এই সেবার সফল পরিচালনা সম্পর্কে ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলাম জানান, দেশের আইনে অবৈধ নয়, এমন যেকোনো পণ্যই এখন ডাকের গাড়িতে তোলা, নামানো এবং পোস্টম্যানের মাধ্যমে বিলি করা যায়।
ডাক বিভাগের এই সেবায় নির্দিষ্ট কিছু বিধিনিষেধও রয়েছে। স্পিড পোস্ট সেবার আওতায় বিস্ফোরক, দাহ্য পদার্থ, মাদক ও আগ্নেয়াস্ত্র পাঠানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে, যা জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোরভাবে পালন করা হয়।
গ্রাহকদের জন্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পণ্য পৌঁছে দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। জেলা শহর থেকে ঢাকায় সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টা, এক জেলা থেকে অন্য জেলায় সর্বোচ্চ ৪৮ ঘণ্টা আর প্রত্যন্ত ও দুর্গম অঞ্চলে সর্বোচ্চ ৯৬ ঘণ্টার মধ্যে পণ্য বিলির সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও সেবার পরিধি নিয়ে মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলাম আরও বলেন, টাকার অঙ্কের চেয়ে মানুষে-মানুষে সংযোগ স্থাপনকে আমি বড় অর্জন বলে মনে করি। এছাড়া পরিবেশবান্ধব প্রকল্পের আওতায় সংগৃহীত ৫০টি বৈদ্যুতিক বাইক এই কার্যক্রমে যুক্ত করা হয়েছে।
এর আগে বিভিন্ন বড় কার্যক্রমেও ডাক বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ১৫ লাখ ৩৩ হাজারের বেশি ভোটার পোস্টাল ভোট দিতে নিবন্ধন করেছিলেন, যা ডাক বিভাগের সক্ষমতার আরেকটি বড় প্রমাণ।








