সিভাসু অ্যানাটমি মিউজিয়াম: ঘুরে দেখার সময় ও তথ্য
চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের খুলসী ক্যাম্পাসে অবস্থিত অ্যানাটমি মিউজিয়ামটি প্রায় ৩ হাজার বর্গফুট জায়গাজুড়ে গড়ে উঠেছে। ইউসুফ চৌধুরী ভবনের নিচতলায় অবস্থিত এই জাদুঘরটি দর্শনার্থীদের জন্য সম্পূর্ণ বিনা টিকিটে উন্মুক্ত রয়েছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ভেতরে একটি আকর্ষণীয় ও শিক্ষণীয় স্থান হলো অ্যানাটমি মিউজিয়াম। এটি বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার খুলসী এলাকায় অবস্থিত। এই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আসা শিক্ষার্থী ও দর্শনার্থীদের জন্য স্থানটি বিশেষভাবে পরিচিত।
বিশ্ববিদ্যালয়টির ইউসুফ চৌধুরী ভবনের নিচতলায় এই মিউজিয়ামটি অবস্থিত। প্রায় ৩ হাজার বর্গফুট জায়গাজুড়ে গড়ে উঠেছে এই মিউজিয়াম। সুপরিসর এই জায়গার মধ্যে বিভিন্ন পশুপাখির অঙ্গসংস্থানগত নমুনা প্রদর্শনীর জন্য সাজিয়ে রাখা হয়েছে।
দর্শনার্থীদের জন্য এই মিউজিয়ামে প্রবেশের ক্ষেত্রে কোনো টিকিটের প্রয়োজন হয় না। কোনো রকম মূল্য ছাড়াই যেকোনো বয়سের মানুষ এই মিউজিয়াম ঘুরে দেখতে পারেন। সব বয়সি দর্শনার্থীদের জন্য এটি উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।
সপ্তাহের নির্দিষ্ট কিছু দিনে এই জাদুঘরটি খোলা থাকে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মিউজিয়ামটি খোলা থাকে। এই দিনগুলোতে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দর্শনার্থীরা এখানে প্রবেশ করতে পারেন।
তবে সপ্তাহের নির্দিষ্ট ছুটির দিনগুলোতে এটি বন্ধ থাকে। বিশেষ করে প্রতি সপ্তাহের শুক্রবার ও শনিবার এবং যেকোনো সরকারি ছুটির দিনে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অ্যানাটমি মিউজিয়াম বন্ধ রাখা হয়।
<প>মিউজিয়ামে প্রদর্শনের জন্য রাখা কঙ্কাল বা নমুনা প্রস্তুত করা বেশ সময়সাপেক্ষ একটি প্রক্রিয়া। জানা গেছে, একটিমাত্র কঙ্কাল বা স্পেসিমেন বা নমুনা পুরোপুরি প্রস্তুত করতে প্রায় ছয় মাস থেকে এক বছর পর্যন্ত সময় লেগে যায়।<প>এই মিউজিয়ামের কার্যক্রমে যুক্ত রয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। এই আয়োজনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের মধ্যে বাবর আলী এবং লাভলু আবু নাঈম নামের দুই ব্যক্তির কথা জানা যায়। তাদের প্রচেষ্টায় ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়।







