সিপিডির সম্মানীয় ফেলো হিসেবে দায়িত্ব নিলেন ফাহমিদা খাতুন
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দীর্ঘ সাড়ে নয় বছর দায়িত্ব পালনের পর এবার সম্মানীয় ফেলো হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন ড. ফাহমিদা খাতুন। ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে সিপিডির ৬৮তম বোর্ডের সভায় এই নিয়োগ অনুমোদিত হয়।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দীর্ঘ সাড়ে নয় বছর সফল দায়িত্ব পালন শেষে প্রতিষ্ঠানটির সম্মানীয় ফেলো হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. ফাহমিদা খাতুন। ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত সিপিডির ৬৮তম বোর্ডের সভায় তার এই নতুন দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদিত হয়।
ড. ফাহমিদা খাতুন ২০০৩ সাল থেকে সুনামের সঙ্গে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। দীর্ঘ এই পথচলার ধারাবাহিকতায় তিনি ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালকের গুরুদায়িত্ব পালন করে আসছেন এবং অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে তার টার্ম সম্পন্ন করেছেন।
তার এই দীর্ঘ নির্বাহী পরিচালকের মেয়াদে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)-এর সাংগঠনিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ব্যাপক অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, এই সময়ে প্রতিষ্ঠানটির উন্নয়ন তহবিল প্রায় ৫৯০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি, সংস্থাটির বার্ষিক আয় প্রায় ১৭১ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়।
শিক্ষাগত জীবনে ড. ফাহমিদা খাতুন যুক্তরাজ্যের খ্যাতনামা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন থেকে অর্থনীতি বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। একই প্রতিষ্ঠান থেকে তিনি অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিও লাভ করেন, যা তার দীর্ঘ পেশাগত জীবনে গবেষণার ক্ষেত্রে শক্ত ভিত্তি তৈরি করেছে।
উল্লেখ্য, ড. ফাহমিদা খাতুনের কর্মজীবন ও গবেষণার পরিধি অত্যন্ত বিস্তৃত। তিনি বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান, ইউএনডিপি, ইউএসএআইডি, কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, জাতিসংঘ, আঙ্কটাড, বোস্টন ইউনিভার্সিটি, ব্র্যাক এবং বাংলাদেশ ব্যাংকসহ দেশের ও বিদেশের বহু গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থায় অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে কাজ করেছেন।
সিপিডির ৬৮তম বোর্ডের সভায় অনুমোদিত এই নতুন পদে দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে তিনি গবেষণা ও নীতি নির্ধারণী কার্যক্রমে আরও গভীর অবদান রাখবেন বলে আশা করা হচ্ছে। দেশের অর্থনীতি ও উন্নয়ন গবেষণায় তার এই দীর্ঘ অভিজ্ঞতা আগামী দিনেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।








