সিঙ্গাপুরে কৃত্রিম মানব নিউরনে বায়োলজিক্যাল ডেটা সেন্টার প্রোটোটাইপ উন্মোচন
সিঙ্গাপুরের গবেষকরা কৃত্রিম মানব নিউরন ব্যবহার করে একটি বায়োলজিক্যাল ডেটা সেন্টারের প্রোটোটাইপ উন্মোচন করেছেন। ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুর, ইয়ং লু লিন স্কুল অব মেডিসিন, ডেওয়ান এবং কর্টিক্যাল ল্যাবস যৌথভাবে এই উদ্ভাবন বাস্তবায়ন করেছে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৭ আগস্ট ২০২৬, সকাল ৬:০২· ১ মিনিট পড়া

সিঙ্গাপুরের গবেষকরা কৃত্রিম মানব নিউরনের মাধ্যমে বায়োলজিক্যাল ডেটা সেন্টারের প্রোটোটাইপ উন্মোচন করেছেন। তথ্যপ্রযুক্তি এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানের যৌথ উদ্যোগে এই যুগান্তকারী প্রোটটিপটি সামনে আনা হয়েছে, যা ভবিষ্যতের কম্পিউটিং ও ডেটা প্রসেসিংয়ের ধারণা বদলে দিতে পারে।
জানা গেছে, ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ইয়ং লু লিন স্কুল অব মেডিসিন, ডেওয়ান এবং কর্টিক্যাল ল্যাবস যৌথভাবে এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে। বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের এই সম্মিলিত প্রচেষ্টা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও জীববিজ্ঞানের সমন্বয়ে এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন করেছে।
প্রকল্পটির প্রযুক্তিগত কাঠামো সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্যে জানা যায় যে, এটি মূলত ২০টি সিএল১ ইউনিটের সমন্বয়ে তৈরি করা হয়েছে। এই বিশেষ সার্ভার র্যাকটির ডিজাইন এমনভাবে করা হয়েছে যাতে জৈবিক উপাদান সফলভাবে সংরক্ষণ ও পরিচালনা করা সম্ভব হয়।
এই সার্ভার র্যাকে থাকা প্রতিটি ইউনিটে প্রায় আট লাখ মানব নিউরন রয়েছে। এই বিপুল পরিমাণ নিউরনের কার্যকর ব্যবহারের মাধ্যমে বায়োলজিক্যাল ডেটা সেন্টারটির প্রাথমিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলে গবেষকরা জানিয়েছেন।
সব মিলিয়ে পুরো সার্ভার র্যাকে থাকা নিউরনের সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ। এত বিপুল সংখ্যক মানব নিউরনের সমন্বয়ে গঠিত এই প্রোটোটাইপটি বৈজ্ঞানিক মহলে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।
উদ্যোগটির পেছনের কারিগরি প্রক্রিয়ায় কর্টিক্যাল ল্যাবস মানব স্টেম সেল থেকে এই নিউরনগুলো তৈরি করেছে। এই বিশেষ নিউরনগুলো গবেষণাগারের নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ ছয় মাস পর্যন্ত জীবিত থাকতে পারে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।








