সায়েদাবাদ পানি প্রকল্পে ডেনমার্কের সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা সহায়তা
সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সঙ্গে ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূতের বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে সায়েদাবাদ পানি শোধনাগার প্রকল্পের তৃতীয় ধাপে ডেনমার্কের পক্ষ থেকে সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা অর্থায়নের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। এই সহায়তার মধ্যে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা অনুদান এবং ৩ হাজার কোটি টাকা স্বল্পসুদে ঋণ সহায়তা হিসেবে প্রদান করা হবে।
প্রকাশ: · আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৬, রাত ৭:১৩· ১ মিনিট পড়া

বাংলাদেশ ও ডেনমার্কের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, পানি সরবরাহ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা এবং বিনিয়োগ নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৫ আগস্ট ঢাকার সচিবালয়ে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
উক্ত বৈঠকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং ডেনমার্ক দূতাবাসের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বৈঠকে ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টিয়ান বিক্রস মোলারসহ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। আলোচনায় ঢাকা ওয়াসার বিভিন্ন কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা স্থান পায়।
বৈঠকের অন্যতম প্রধান আলোচনার বিষয় ছিল সায়েদাবাদ পানি শোধনাগার প্রকল্প (ফেজ-৩)। এই জনগুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে ডেনমার্কের পক্ষ থেকে বড় অংকের অর্থায়নের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। চ্যানেল ২৪-এর তথ্য অনুযায়ী, এই পানি শোধনাগার নির্মাণে মোট ১৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে।
নির্ধودিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, সায়েদাবাদ পানি শোধনাগার প্রকল্প (ফেজ-৩)-এ ডেনমার্ক মোট সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা অর্থায়ন করবে। এই বিশাল অংকের অর্থায়নের আর্থিক কাঠামোর বিষয়টিও বৈঠকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়, যা দেশের বড় অবকাঠামো উন্নয়নে সহায়ক হবে।
প্রদত্ত সহায়তার এই পুরো অর্থ দুটি সুনির্দিষ্ট ভাগে বিভক্ত। এর মধ্যে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ডেনমার্কের পক্ষ থেকে সম্পূর্ণ অনুদান হিসেবে প্রদান করা হবে। পাশাপাশি বাকি ৩ হাজার কোটি টাকা স্বল্পসুদে ঋণ সহায়তা হিসেবে দেওয়া হবে বলে বৈঠকে জানানো হয়।
এই অর্থায়ন প্রসঙ্গে মীর শাহে আলম বলেন, সায়েদাবাদ পানি শোধনাগার প্রকল্পের তৃতীয় ধাপে ডেনমার্কের সহযোগিতা সরকারের জন্য একটি বড় সাফল্য। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা শহরে ক্রমবর্ধমান বিশুদ্ধ পানির চাহিদার চাপ অনেকাংশে মোকাবিলা করা সম্ভব হবে।
তিনি আরও বলেন, ডেনমার্কের অর্থায়নের ফলে প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকারের ওপর বড়ো ধরনের আর্থিক চাপ পড়বে না। এই সহযোগিতাপূর্ণ পদক্ষেপের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘমেয়ি অংশীদারিত্ব আরও সুদৃঢ় হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করছেন।








