সশস্ত্র বাহিনীর পেনশন জালিয়াতি: নতুন তদন্ত কমিটি গঠিত
সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের পেনশনের টাকা জালিয়াতির ঘটনায় একটি নতুন তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কন্ট্রোলার জেনারেল ডিফেন্স ফাইন্যান্সের (সিজিডিএফ) কার্যালয়ের এক অফিস আদেশে এই কমিটি গঠনের বিষয়টি জানানো হয়। প্রাথমিক তদন্তে ২৬ জন পেনশনভোগীর নামে কোটি কোটি টাকা সরানোর তথ্য পাওয়া গেছে।
প্রকাশ: · ১ মিনিট পড়া

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের পেনশনের টাকা জালিয়াতির বড় ধরনের একটি ঘটনার প্রেক্ষিতে নতুন করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। দেশের একটি শীর্ষস্থানীয় জাতীয় দৈনিক 'প্রথম আলো' সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি এই জালিয়াতির বিষয়টি সামনে আসার পর সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ কঠোর পদক্ষেপ হিসেবে এই তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
কন্ট্রোলার জেনারেল ডিফেন্স ফাইন্যান্সের (সিজিডিএফ) কার্যালয়ের একটি অফিস আদেশে এই নতুন তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে। সিজিডিএফ (পেনশন ও ফান্ড) কার্যালয়ের অধীনে এই অপকর্মের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে এবং প্রকৃত সত্য উদঘাটন করতে এই বিশেষ কমিটি কাজ করবে।
গঠিত এই নতুন তদন্ত কমিটিতে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কমিটিতে এ কে এম হাছিবুর রহমানকে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া মোছা. বিউটি খাতুনকে এই তদন্ত কমিটির সদস্যসচিব হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। এই কমিটিতে আরও যুক্ত রয়েছেন মো. আরিফুর রহমান ও মো. মফিজুর রহমান।
এর আগে এই ঘটনার যে প্রাথমিক তদন্ত সম্পন্ন হয়েছিল, তাতে চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসে। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায় যে, একটি চক্র জালিয়াতির মাধ্যমে ২৬ জন পেনশনভোগীর নামে ভুয়া ও অতিরিক্ত বিল তৈরি করেছিল। এই ২৬ পেনশনভোগীর নামে মোট ৩৪৬টি বকেয়া পেনশন বিল তৈরি করা হয়।
তৈরিকৃত এসব ভুয়া ও বকেয়া বিলের মাধ্যমে সরকারের ফান্ড থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে। প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, এই জালিয়াতির মাধ্যমে সর্বমোট ৬ কোটি ৬৮ লাখ ৭০ হাজার ৯২৮ টাকা অবৈধভাবে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এই বিশাল অঙ্কের অর্থ লোপাটের বিষয়টি ধরা পড়ার পরই নড়েচড়ে বসেছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন।
নতুন গঠিত এই তদন্ত কমিটিকে একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তাদের কার্যক্রম শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অফিস আদেশ অনুযায়ী, আগামী ১০ কর্মদিবসের মধ্যে এই কমিлটিকে তাদের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর জালিয়াতির নেপথ্যে থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে।








